সরকারি বাজেট এবং ইসলামের ‘বায়তুল মাল’ ব্যবস্থা
বায়তুল মাল ব্যবস্থার সৌন্দর্য হলো, এর একটি অংশ সব সময় সমাজের দরিদ্রতম মানুষের সামাজিক সুরক্ষায় নিবেদিত থাকত। ফলে প্রান্তিক মানুষ কখনো অনাহারে থাকত না।
বায়তুল মাল ব্যবস্থার সৌন্দর্য হলো, এর একটি অংশ সব সময় সমাজের দরিদ্রতম মানুষের সামাজিক সুরক্ষায় নিবেদিত থাকত। ফলে প্রান্তিক মানুষ কখনো অনাহারে থাকত না।
বাবা সোফায় বসে রইলেন। মেয়েকে স্কুলে নামিয়ে দেবেন অফিসে যাওয়ার সময়। বাবার সঙ্গে মেয়ে কথা বলতে বলতে স্কুলে যাচ্ছে, এ এক মুগ্ধতা জাগানিয়া দৃশ্য!
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে দুপুর ১২টায় আবুল কাসেম ফজলুল হকের মরদেহ নেওয়ার কথা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনে অপরাজেয় বাংলার সামনে।
তারা ছিলেন সুরুচি, পরিচ্ছন্নতা ও আভিজাত্যের অনন্য প্রতীক। বর্তমান সময়ে অধিকাংশ মানুষের মনে আলেমদের জীবনযাত্রা সম্পর্কে যে কৃচ্ছ্রসাধনের চিত্র রয়েছে, তা মূলত ইতিহাসের সম্পূর্ণ বিপরীত।
রমজান শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে অনেকে পুরনো অনৈতিক অভ্যাসে ফিরে যান, মসজিদ ফাঁকা হয়ে যায়। এটি ‘রমজানি’ মানুষের চিহ্ন, যাদের ইবাদত এক মাসের মধ্যে সীমাবদ্ধ। সত্যিকারের ‘রব্বানি’ হতে হলে সারা বছর ধর্মানুশীলন অব্যাহত রাখতে হবে।
প্রচণ্ড গরমে অনেকে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। গরমে অসুস্থতার কথা উঠলেই আমাদের চোখে ভেসে ওঠে রোদে কাজ করা কৃষক, শ্রমিক, পথচারী বা বাইরে দীর্ঘ সময় অবস্থানকারী মানুষের ছবি।
অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমি দুই বছরের কথা বলে আসছি। এর মধ্যে অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াবে। কত প্রবৃদ্ধি হলো এ ইতিহাস বলে লাভ নেই। সাধারণ মানুষের কী লাভ হলো সেটিই হচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ।’
বলা যায় একরকম পিড়াপিড়ি করেই তাঁকে এই মহান দায়িত্বে বসানো হয়। পরদিনই তিনি কাপড়ের গাট্টি মাথায় নিয়ে সাধারণ মানুষের মতো বাজারের দিকে রওনা হন। তিনি মূলত কাপড় ব্যবসায়ী ছিলেন।
এনজিও খাতের সার্বিক অবস্থা নিয়ে মুক্তকণ্ঠের সঙ্গে কথা বলেছেন সিএসএসের নির্বাহী পরিচালক (ইডি) রেভারেন্ড মার্ক মুন্সী।
সহযোগিতার মাধ্যমে এমন সব লক্ষ্য ও প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়, যা একা করতে গেলে না–ও পারতে পারে। দায়িত্বও বহু মানুষের মধ্যে ভাগ হয়ে যায়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছদ্মনাম ব্যবহার করে আলেম-ওলামা, রাষ্ট্রীয় দায়িত্বশীল এবং সাধারণ মানুষের চরিত্রহনন নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার। ইসলাম যাকে অন্যের দোষ অনুসন্ধান ও প্রচার হিসেবে চিহ্নিত করেছে।
মমতা এখনো জয় নিয়ে আশাবাদের কথা জানান। মন খারাপ না করে কর্মীদের লড়াই করতে আহ্বান জানান। অন্যদিকে রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার এটিকে বাংলার মানুষের গণতন্ত্রের জয় বলে অভিহিত করেন।