অনলাইনে বন্ড–সুবিধার কাজ করতে পারবেন ব্যবসায়ীরা
কাস্টমস বন্ড ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (সিবিএমএস) সফটওয়্যারের মাধ্যমে ইউটিলাইজেশন পারমিশন (ইউপি) ইস্যু–সংক্রান্ত সব সেবা গ্রহণ করতে পারবেন লাইসেন্সধারীরা।
কাস্টমস বন্ড ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (সিবিএমএস) সফটওয়্যারের মাধ্যমে ইউটিলাইজেশন পারমিশন (ইউপি) ইস্যু–সংক্রান্ত সব সেবা গ্রহণ করতে পারবেন লাইসেন্সধারীরা।
গতকাল চট্টগ্রাম চেম্বারে প্রাক্-বাজেট আলোচনায় ব্যবসায়ীরা এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খানের কাছে বৈদ্যুতিক গাড়ি আমদানিতে করছাড়সহ নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদন ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বিভিন্ন প্রস্তাব তুলে ধরেন। জ্বালানি উৎপাদন বাড়ানো, বেসরকারি শোধনাগার স্থাপন ও ডিজেল নির্ভরতা কমানোর উপর জোর দেন তাঁরা। এনবিআর চেয়ারম্যান রাজস্ব বাড়ানোর জন্য নতুন খাতে ন্যায়সঙ্গত কর আরোপের কথা বলেন।
ব্যবসায় লাভ-লোকসান নির্বিশেষে মোট বিক্রি বা টার্নওভারের ওপর কর আরোপের ফলে মুনাফা না থাকলেও ব্যবসায়ীদের ওপর বাড়তি চাপ পড়ার আশঙ্কা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ হয়েছে। এনবিআর সূত্রে জানানো হয়েছে, অনেক ক্ষেত্রে ন্যূনতম ১ শতাংশ হারে এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে হার কম-বেশি করা হয়; আয়করের বিকল্প হিসেবে বার্ষিক মোট লেনদেনের ওপর কর বসবে।
আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আয়কর রিটার্ন জমা দিলে ব্যক্তিশ্রেণির করদাতারা প্রদেয় করের ওপর সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ বা ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত কর রেয়াত পাবেন বলে জানিয়েছে এনবিআর।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) করদাতাদের ভোগান্তি কমাতে ও আয়কর প্রক্রিয়া সহজ করতে অনলাইনে আয়কর রিটার্ন (ই-রিটার্ন) জমার ব্যবস্থা চালু করেছে। এখন আর দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে বা কর অঞ্চলে না গিয়েই ঘরে বসে মাত্র কয়েক মিনিটে অনলাইনে রিটার্ন জমা দেওয়া সম্ভব। অনলাইনে আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার জন্য সঠিক
করসেবা সহজ, দ্রুত ও স্বচ্ছ করার লক্ষ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) আজ ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের ২০২৬-২৭ করবর্ষের আয়কর রিটার্ন অনলাইনে জমার সুবিধা চালু করেছে।
করযোগ্য আয় না থাকলে সঞ্চয়পত্রের মুনাফার উৎসে করের টাকা ফেরত দেবে এনবিআর। এই কর সমন্বয়ের জন্য প্রয়োজনীয় প্রত্যয়নপত্র জেলা সঞ্চয় অফিস বা ব্যুরো অফিস থেকে সংগ্রহ করা যাবে।
ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আনার সুবিধা নিশ্চিত করতে গত সেপ্টেম্বরে প্রজ্ঞাপন জারি করে এনবিআর। কিন্তু এ সুবিধা নিতে আগ্রহ কম ব্যবসায়ীদের।
রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অর্জন ও ব্যবসায়িক পরিবেশ নিয়ে এনবিআর ও বিটিএমএ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে নিজের আশাবাদের কথা জানান অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
বাজেটের কিছু প্রস্তাব পরিবর্তন হতে পারে। পরিবর্তিত এসব বিষয়ের মধ্যে টিআইএন দেওয়ার বাধ্যবাধকতার বিষয়টিও থাকছে বলে জানান এনবিআর কর্মকর্তারা।
এক লাখের বেশি গ্রাহক থাকলেই ‘স্থায়ী স্থাপনা’ হিসেব ধরা হবে, এতে বিদেশি ওটিটি প্ল্যাটফর্মের ওপর করারোপ করতে পারবে এনবিআর।
দেশের ট্রেড লাইসেন্সধারী দোকানের সংখ্যা প্রায় ৭০ লাখ; কিন্তু মূসক নিবন্ধন রয়েছে মাত্র ৭ লাখ ৯২ হাজার প্রতিষ্ঠানের। তাই আগামী বাজেটে ভ্যাট নিবন্ধন বাড়ানোর উদ্যোগ নিচ্ছে এনবিআর।