সৌদির সঙ্গে মিল রেখে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ঈদ উদ্যাপন
সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে দেশের বিভিন্ন জেলায় পবিত্র ঈদুল আজহা উদ্যাপন করেছেন মুসল্লিদের একাংশ। চাঁদ দেখা ও দীর্ঘদিনের ধর্মীয় রীতি অনুসরণ করে এসব এলাকায় ঈদের নামাজ ও পশু কোরবানি করা হয়।
সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে দেশের বিভিন্ন জেলায় পবিত্র ঈদুল আজহা উদ্যাপন করেছেন মুসল্লিদের একাংশ। চাঁদ দেখা ও দীর্ঘদিনের ধর্মীয় রীতি অনুসরণ করে এসব এলাকায় ঈদের নামাজ ও পশু কোরবানি করা হয়।
সাত শতাধিক গান লিখেছেন পল্লি বাউল জবান আলী। তাঁর একটি গানের বই প্রকাশিত হয়েছে ১৬ বছর আগে ‘দর্পণে দর্শন’। সত্তরটি গান আছে এতে।
সুনামগঞ্জের হাওরে পানির তলায় আধপচা ধান কাটতে কৃষকদের প্রচণ্ড কষ্ট। টানা রোদে ধানপচা গন্ধ কমলেও দুঃখ রয়ে গেছে। আগামী সপ্তাহে ভারী বৃষ্টির আভাস, কলেজছাত্র জুনায়েদ আহমদ বলেন, ‘এই ধানই ত আমার সব। ঘরের খরচ, আমার লেখাপড়া—সবই ধান থাকি আয়। এর লাগি আমিও বাবার লগে হাওরে আছি।’
সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলায় বাবার মৃত্যুর পর লাশ বাড়িতে রেখে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে সাইফ হোসেন (১৬)। কান্নাকাটির মধ্যে সে ভূগোল ও পরিবেশের পরীক্ষা দেন। পরিবারের স্বপ্ন ভেঙে গেছে বলে সে জানান।
বৃষ্টিতে ফসলহানি হয়ে হাওরে কৃষকের দুর্ভোগের মধ্যে খেতে ভিজে ভিজে ধান কাটার মধ্যে ভাত খাওয়ার যে ভিডিও ছড়িয়েছে, ফ্যাক্ট চেকে দেখা যায়, তা সাজানো হতে পারে।
টাঙ্গুয়ার এই লেচুয়ামারা বিলটি পাখিদের স্বর্গ। দুই যুগ ধরে এই বিলে নিয়মিত পাখি গণনা করি। এই এক বিলেই দেখা মেলে এক লাখের বেশি জলচর পরিযায়ী হাঁসের।
হাওরের ফসল রক্ষায় স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব (দুলু)।
‘পরতি বছর ধান পাই ১২০ থাকি ১৩০ মণ। ইবার অর্ধেক ধান পানিতে গেছে। মনরে খালি বোঝ দিবার লাগি আধা পচা ধান কাটছি।
তিন ধরনের ‘বন্যা’ হয় হাওরে। উকিল মুন্সীর গানের মতো ‘আষাঢ় মাইস্যা ভাসা পানি’ সাধারণ ঋতুভিত্তিক বন্যা।
সুনামগঞ্জে এবার মার্চের মাঝামাঝি থেকে বৃষ্টি শুরু হয়। এতে বিভিন্ন হাওরে জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। ২৬ এপ্রিল থেকে শুরু হয় অতিবৃষ্টি, নামে উজানের পাহাড়ি ঢল।
‘জমির ধান গেল পানিতে, এখন খলার (কাটার পর স্তূপ করে রাখা) ধান নষ্ট অইযায় রইদের ( রোদ) অভাবে।’
চার দিনের বৃষ্টি শেষে দেখা দিয়েছিল রোদ। কিষান–কিষানিরা দলে দলে বেরিয়ে পড়েছিলেন ঘরের বাইরে।