যুক্তরাষ্ট্র কেন ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্টকে তুলে নিয়ে গেল
যুক্তরাষ্ট্র কেন ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্টকে তুলে নিয়ে গেল
যুক্তরাষ্ট্র কেন ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্টকে তুলে নিয়ে গেল
সিলিয়া ফ্লোরেস একজন প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে অনেক সময় জেনারেলদের চেয়েও বেশি ক্ষমতা চর্চা করেছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন দীর্ঘদিন ধরে বলে আসছে, ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরো একজন অপরাধী।
ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছেন রিপাবলিকান–দলীয় সিনেটর মাইক লি।
গত কয়েক মাসে ভেনেজুয়েলার নিরাপত্তা বাহিনী অন্তত পাঁচজন মার্কিন নাগরিককে আটক করেছে।
মাদক পাচার ছাড়াও জ্বালানি তেল ও অভিবাসন ইস্যুতে আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছেন মাদুরো।
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরোকে নিউ ইয়র্কের স্টুয়ার্ট আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দেখা গেলেও তাঁর সঙ্গে স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেস ছিলেন না।
নিকোলা মাদুরো যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে মাদক-সন্ত্রাসবাদ মামলায় নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন। তিনি বিচারককে বলেছেন, ‘আমি আমার দেশের প্রেসিডেন্ট।’
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রায়ই দাবি করেন, ‘সমাজতান্ত্রিক’ ডেমোক্র্যাটদের ক্ষমতায় আনলে দেশটি ভেনেজুয়েলা বা কিউবার পথে চলে যাবে।
ইরাক থেকে লিবিয়া, ভেনেজুয়েলা থেকে ইউক্রেন এবং এখন ইরানের উদাহরণ থেকে একটি সত্য ক্রমেই স্পষ্ট হয়ে উঠছে যে একবিংশ শতাব্দীতে সার্বভৌমত্ব আর নিঃশর্ত নয়। ইরান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে সার্বভৌমত্বের সীমা এবং ছোট রাষ্ট্রগুলোর চ্যালেঞ্জ নিয়ে লিখেছেন গোলাম রসুল
ভেনেজুয়েলার ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট নিকোলস মাদুরো ও তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেস বহুল আলোচিত মাদক পাচার মামলায় হাজিরা দিতে আদালতে আনা হবে। বুধবার (২২ জুলাই) নিউইয়র্কের একটি আদালতে তাদের হাজিরা গ্রহণ করা হবে। রয়টার্স জানিয়েছে, ম্যানহাটন ফেডারেল আদালতে মার্কিন জেলা জজ অ্যালভিন হেলারস্টেইনের এজলাসে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের তেলশিল্প নিয়ন্ত্রণ নিতে চান বলে ঘোষণা দিয়েছেন। ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এটিকে তাঁর অগ্রাধিকার বলে উল্লেখ করেন। ভেনেজুয়েলার পরিস্থিতির সঙ্গে এর তুলনা করেছেন ট্রাম্প।