স্থায়ী ও টেকসই শান্তিচুক্তিই একমাত্র সমাধান
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের শীর্ষ নেতৃত্ব স্বাক্ষর করায় নিঃসন্দেহে এই সমঝোতা স্মারকের গুরুত্ব অনেক বেশি। তবে সতর্কতার বিষয় হলো, টেকসই ও স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার পথে যে দীর্ঘ ও বন্ধুর পথ, এটি তার প্রথম ধাপ।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের শীর্ষ নেতৃত্ব স্বাক্ষর করায় নিঃসন্দেহে এই সমঝোতা স্মারকের গুরুত্ব অনেক বেশি। তবে সতর্কতার বিষয় হলো, টেকসই ও স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার পথে যে দীর্ঘ ও বন্ধুর পথ, এটি তার প্রথম ধাপ।
ইরানের সঙ্গে চুক্তিতে সম্মত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে ট্রাম্প তাঁর ট্রুথ সোশ্যালে একটি পোস্ট দিয়েছেন। পোস্টে তিনি লিখেছেন, এই ‘মহান চুক্তি’ পুরো অঞ্চলে শান্তি ও নিরাপত্তা বয়ে আনবে।
পাল্টাপাল্টি হামলায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরান, শান্তি প্রচেষ্টা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।
আফ্রিকার আবেই অঞ্চলে জাতিসংঘ শান্তি রক্ষা মিশনে দায়িত্ব পালনের সময় প্রাণ হারানো ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীকে মরণোত্তর ‘ড্যাগ হ্যামারশোল্ড পদক’ দেওয়া হবে।
পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনিরের তেহরান সফর শান্তি আলোচনা এবং উত্তেজনা হ্রাসের প্রচেষ্টায় তাৎপর্যপূর্ণ হতে পারে।
কিছু অভ্যাস শুধু মানুষের সম্মানই নষ্ট করে না, বরং সামাজিক শান্তি ও সংহতিকেও ধ্বংস করে দেয়। এই বিষবাষ্প থেকে বাঁচতে ইসলামের ১০টি বৈপ্লবিক সূত্র তুলে ধরা হলো:
জাদুঘর শান্তি প্রতিষ্ঠা ও ঐক্য সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে, কিন্তু সমন্বয়ের অভাব রয়েছে।
শান্তি আলোচনা থমকে যাওয়ায় ইরানকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।
আর লেবাননের প্রতিনিধিদল এক বিবৃতিতে বলেছে, তারা এই যুদ্ধবিরতির গতিকে একটি স্থায়ী শান্তি চুক্তিতে রূপান্তর করতে চায়।
সৌদি আরব ইরানসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর জন্য আগ্রাসনবিরোধী চুক্তির প্রস্তাব দিয়েছে, যা ১৯৭৫-এর হেলসিংকি অ্যাকর্ডসের আদলে তৈরি। ইউরোপীয় দেশগুলোর সমর্থন পেলেও যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের অবস্থান অস্পষ্ট। উপসাগরীয় অঞ্চলে বিভক্ততা ও স্থবির শান্তি আলোচনার মধ্যে এই উদ্যোগ এসেছে।
মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ইরানের সঙ্গে শান্তি আলোচনায় অগ্রগতির কথা বলেছেন। ইরান দাবি করেছে, হরমুজ প্রণালীর ওপর তাদের সার্বভৌমত্ব নিষ্পত্তি হয়েছে। অবরোধ তুললে তারা প্রণালি খুলে দেবে বলে জানিয়েছে ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
ইরান শান্তি আলোচনা অচলাবস্থায় আটকে থাকা সামনে বুধবার বেইজিংয়ে পৌঁছালেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। বাণিজ্য ছাড়াও সি চিন পিংয়ের সঙ্গে ইরান যুদ্ধ নিয়ে আলোচনা হবে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। চীনকে তেহরানের ওপর প্রভাব খাটাতে বলতে পারেন ট্রাম্প।