যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য চুক্তি নিয়ে কী ভাবছে ইরানের নেতৃত্ব
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তির পথ খোলা রাখলেও কট্টরপন্থীদের শর্তে সমঝোতায় পৌঁছানো কঠিন হচ্ছে ইরানের।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তির পথ খোলা রাখলেও কট্টরপন্থীদের শর্তে সমঝোতায় পৌঁছানো কঠিন হচ্ছে ইরানের।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের ওপর তেহরানের কোনো আস্থা নেই। তিনি জানান, ওয়াশিংটন চুক্তির বিষয়ে আন্তরিক হলেই কেবল আলোচনায় বসতে আগ্রহী তেহরান।
গত এক বছরের বেশি সময় ধরে ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরান ইস্যুতে ইউরোপকে পাশ কাটিয়ে চলছেন।
যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ট্রাম্পের নীতির প্রতিবাদে ‘নো কিংস’ বিক্ষোভে লক্ষ লক্ষ মানুষ রাস্তায় নেমেছেন। ছোট শহরগুলোতে অংশগ্রহণ ৪০ শতাংশ বেড়েছে। বিভিন্ন নেতা ও সেলিব্রিটি বক্তব্য দিয়ে প্রতিবাদ জোরদার করেছেন।
চীন এই যুদ্ধকে চরম রাজনৈতিক বা কূটনৈতিক উত্তেজনা এবং সামরিক হুমকি উভয় হিসেবেই দেখছে।
নিরাপত্তাঝুঁকি থাকায় যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে বিশ্বকাপ খেলতে চায় না ইরান। বিশ্বকাপে তাদের ম্যাচগুলো মেক্সিকোতে সরিয়ে নিতে চায়।
যুক্তরাষ্ট্রের দুটি রিফুয়েলিং উড়োজাহাজে হামলা চালানোর দাবি ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স ইন ইরাকের।
ট্রাম্প প্রশাসনের উচ্চ শুল্কের কারণে চীন সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে ধারণা করা হয়েছিল।
ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের মুখপাত্র পূর্ণিমা রাই বলেন, যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ পারস্পরিক বাণিজ্যচুক্তি বাস্তবায়নে অংশীদারি প্রত্যাশা করে যুক্তরাষ্ট্র।
ট্রাম্পের দাবি, আলোচনার সুযোগ তৈরি করতে যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে ইরানে তাদের হামলা স্থগিত রেখেছে।
যুক্তরাষ্ট্র ইরানের কাছে হরমুজ প্রণালি খোলা রাখার ঘোষণা এবং বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা বন্ধের প্রতিশ্রুতি চাচ্ছে।
বিশ শতকে সর্বজয়ী ছিল যুক্তরাষ্ট্র। ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর দেশটি শুধু প্রতিদ্বন্দ্বীহীন রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক শক্তিই হয়ে ওঠেনি, বরং সাংবিধানিক সরকার ও মুক্তির গ্রহণযোগ্য মূল্যবোধও সঞ্চার করেছে। তবে তা দীর্ঘস্থায়ী হয়নি।