ইরানের মাত্র এক-তৃতীয়াংশ ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংসের বিষয়ে নিশ্চিত যুক্তরাষ্ট্র
ওয়াশিংটন এখন পর্যন্ত ইরানের বিশাল ক্ষেপণাস্ত্র মজুতের মাত্র এক-তৃতীয়াংশ ধ্বংসের বিষয়ে নিশ্চিত হতে পেরেছে।
ওয়াশিংটন এখন পর্যন্ত ইরানের বিশাল ক্ষেপণাস্ত্র মজুতের মাত্র এক-তৃতীয়াংশ ধ্বংসের বিষয়ে নিশ্চিত হতে পেরেছে।
অঞ্চলটিতে আগের যুদ্ধগুলোর মতো এই সংঘাত বছরের পর বছর ধরে চলবে—এমন ধারণা প্রত্যাখ্যান করেছেন নেতানিয়াহু।
ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রস্তাবিত ‘শান্তি পরিকল্পনা’ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
জ্বালানিসংকটের মাধ্যমে ওয়াশিংটনকে পিছু হটতে বাধ্য করাই এখন তেহরানের প্রধান চাল।
আজ শনিবার ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর এনবিসি নিউজের লাইভে যুক্ত হয়ে এ কথা বলেছেন তিনি।
যদি অস্ত্র পরিদর্শকদের প্রবেশাধিকার বাধাগ্রস্ত হওয়া নিয়ে হয়, তবে যুদ্ধ চাপিয়ে দেশটিকে অবরুদ্ধ করে রাখলে সে কাজ কোনোভাবেই সহজ হওয়ার কথা নয়।
জর্ডানে মার্কিন বাহিনীর অবস্থানস্থল হিসেবে পরিচিত একটি বিমানঘাঁটিতেও হামলার দাবি করেছে আইআরজিসি।
গত সপ্তাহে ইইউর পররাষ্ট্রনীতিবিষয়ক প্রধান কাজা কালাসকে চুক্তি স্থগিত করার একটি যৌথ চিঠি দিয়েছে স্পেনসহ তিন দেশ।
ইরানি বাহিনী একই দিনে দুটি মার্কিন যুদ্ধবিমান—এফ-১৫ই স্ট্রাইক ঈগল এবং এ-১০ ওয়ারথগ—ভূপাতিত করেছে। ইরানের ‘মজিদ’ ক্ষেপণাস্ত্রব্যবস্থা ব্যবহার করে অপটিক্যাল ও ইনফ্রারেড সেন্সর দিয়ে এই আঘাত হানা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ইতিহাসে এমন ঘটনা অত্যন্ত বিরল।
সৌদির আগে কাতারও তাদের দেশ থেকে ইরানি সামরিক ও নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয়।
এই যুদ্ধ উপসাগরীয় দেশগুলোকে চিরতরে বদলে দিয়েছে। তারা এখন সামরিক শক্তি বাড়াতে আরও বেশি বিনিয়োগ করতে আগ্রহী হয়ে উঠেছে।
ইরান যুদ্ধে কোনো পক্ষের জয় নেই, সবাই হেরে যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল থেকে শুরু করে ইউরোপ, চীন, ভারত ও বাংলাদেশ—সবার অর্থনৈতিক, সামরিক ও পরিবেশগত ক্ষতি হচ্ছে। এই ‘উলঙ্গ রাজা’ যুদ্ধে শেষে কেউ জয়ী থাকবে না।