বিএনপিতে বিভক্তি, সুযোগ নিতে চায় অন্য প্রার্থীরা
কিশোরগঞ্জ-৫ (নিকলী ও বাজিতপুর) আসনে বিএনপির অভ্যন্তরীণ বিভক্তি নির্বাচনী হিসাব-নিকাশ জটিল করে তুলেছে। বিএনপির সাধারণ নেতা-কর্মীরা কেউ দলীয় প্রার্থী, আবার কেউ বিদ্রোহী প্রার্থীর পক্ষে কাজ করছেন।
কিশোরগঞ্জ-৫ (নিকলী ও বাজিতপুর) আসনে বিএনপির অভ্যন্তরীণ বিভক্তি নির্বাচনী হিসাব-নিকাশ জটিল করে তুলেছে। বিএনপির সাধারণ নেতা-কর্মীরা কেউ দলীয় প্রার্থী, আবার কেউ বিদ্রোহী প্রার্থীর পক্ষে কাজ করছেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার কালীকচ্ছ ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সভাপতি ও ইউপি সদস্য অরবিন্দ দত্তসহ দেড় শতাধিক নেতা-কর্মী বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন।
গতকাল সোমবার আইসিজের ওয়েবসাইটে ‘গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন এগিয়ে আসছে, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটছে’ শিরোনামে একটি বিশ্লেষণধর্মী লেখায় এ কথা বলা হয়েছে।
ফুটপাতে দোকানে নেড়েচেড়ে ফল দেখি আর কথা বাড়ানোর চেষ্টা করি। লোকটার চিন্তাধারা বাস্তবমুখী। অনেকটা মজার ছলেই যা বলল, তার সারমর্ম—কাজ না করে যদি মিছিল-মিটিংই জীবিকার মাধ্যম হয়, তাহলে সেখানে দুর্নীতির প্রকোপ কোনোভাবেই কমবে না।
নারী প্রশ্নে জামায়াত এর আগে থেকেই সমালোচিত হচ্ছিল এই নির্বাচনে একজন নারী প্রার্থীকেও মনোনয়ন না দেওয়া নিয়ে। কেন অন্তত একজন নারীকেও মনোনয়ন দেওয়া হলো না, এমন প্রশ্নের জবাবে আল-জাজিরাকে জামায়াত আমির জানান, তাঁরা প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
এবারের নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রার্থীদের মধ্যে অন্তত ২৬ জন শতকোটি টাকার মালিক। স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের বর্তমান বাজারমূল্য অনুযায়ী কোটিপতি প্রার্থী রয়েছেন ৮৯১ জন।
অভিযোগের বিষয়ে মীর শাহে আলম বলছেন, নির্বাচনী প্রচার যখন তুঙ্গে তখন পরাজয় নিশ্চিত জেনে জামায়াত প্রার্থী ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলে মাঠ ছাড়ার কৌশল খুঁজছেন।
চট্টগ্রাম নগরে আয়োজিত জনসভায় বিএনপির সমালোচনা করলেন জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান
কারাবন্দী সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের চোখের গুরুতর সমস্যার চিকিৎসার জন্য তাঁকে গোপনে হাসপাতালে নেওয়ার সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তটি তথাকথিত ‘হাইব্রিড সরকারের’ আরেকটি বড় ভুল।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থীদের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণার অভিযোগে সরাইল উপজেলা যুবদল ও শ্রমিক দলের ১১ নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
আজ সোমবার দুপুরে দিনাজপুরের পার্বতীপুর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের পাদদেশে নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া।
কক্সবাজারে জনসভায় বক্তব্য দেন জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান।