কাতারে মার্কিন ঘাঁটিতে আঘাত হানে ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র
কাতারে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত, কোনো হতাহত হয়নি।
কাতারে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত, কোনো হতাহত হয়নি।
ডেমোক্র্যাট কংগ্রেস সদস্যরা মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওকে চিঠি লিখে ইসরায়েলের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে স্বচ্ছতার দাবি জানিয়েছেন। ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে তারা বিস্তারিত তথ্য চেয়েছেন। বিভিন্ন গোয়েন্দা নথি ও ফাঁস তথ্য থেকে ইসরায়েলের দীর্ঘদিনের পারমাণবিক সক্ষমতা প্রকাশ পায়।
যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলার জবাবে কুয়েত ও বাহরাইনের মার্কিন ঘাঁটিতে পাল্টা হামলা চালিয়েছে ইরানের ইসলামি রেভোল্যুশনারি গার্ডস কোর (আইআরজিসি)।
ইরানের খারগ দ্বীপ দখলের সম্ভাবনা মার্কিন জোটের মিত্রদের শর্তসাপেক্ষ অবস্থানকে প্রকাশ করছে। তেল সরবরাহের ঝুঁকি ও অর্থনৈতিক প্রভাব জোটের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রশাসনের সামনে এই চ্যালেঞ্জ গুরুতর।
ইরান যুদ্ধের ধাক্কায় একজোট মধ্যপ্রাচ্যের প্রতিপক্ষরা ট্রাম্পকে শান্তিচুক্তিতে চাপ দিচ্ছে।
যে নেতারা একসময় বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী ব্যক্তিকে সন্তুষ্ট করতে, তাঁকে তোষামোদ করতে চেষ্টা করতেন, তাঁরা এখন তাঁর সমালোচনার সাহস দেখাচ্ছেন, তাঁর থেকে দূরত্ব বাড়াচ্ছেন।
ইরানে ভূপাতিত মার্কিন যুদ্ধবিমানের নিখোঁজ ক্রুকে দুঃসাহসিক অভিযানে উদ্ধার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানিয়েছেন, ক্রু সুস্থ আছেন এবং অভিযানে ‘কয়েক ডজন’ যুদ্ধবিমান ব্যবহার করা হয়েছে। কোনো মার্কিন সেনা হতাহত হননি।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কঠোর হুঁশিয়ারির পর ইরানে টানা ১৩তম রাতে মার্কিন বিমান হামলা চালানো হয়েছে, যাতে আহভাজ শহরের কাছে চারজন নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
মার্কিন কর্মকর্তারা বলেছেন, চুক্তির আওতায় ইরান অর্থনৈতিক সুবিধা পাবে কি না, তা নির্ভর করবে দেশটি তার প্রতিশ্রুতি কতটা পূরণ করছে তার ওপর।
যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের পাকিস্তান সফর স্থগিত করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে সরাসরি অবগত একজন মার্কিন কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ইরানের কুর্দি নেতারা যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে অস্ত্র সহায়তা পাওয়ার ট্রাম্পের দাবি অস্বীকার করেছেন। তারা বলেছেন, তারা কোনো নতুন অস্ত্র পায়নি। ইরান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে এই বিতর্ক উঠেছে।
ইরানের খারগ দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য স্থল অভিযান হিতে বিপরীত হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা। অস্ট্রেলিয়ান স্ট্র্যাটেজিক পলিসি ইনস্টিটিউটের ম্যালকম ডেভিস মনে করছেন, এতে মার্কিন বাহিনীকে ব্যাপক প্রাণহানির মুখোমুখি হতে হবে। ট্রাম্পের মিশ্র সংকেতের মধ্যে দ্বীপটি ইরানের তেল রপ্তানির মূল কেন্দ্র।