এই সরকারের কাছে সাধারণ মানুষ কীভাবে নিরাপদ থাকবে, প্রশ্ন জামায়াতের রফিকুল ইসলাম খানের
জামায়াত নেতা রফিকুল ইসলাম বাজেটকে গরিব মারার বাজেট আখ্যা দিয়ে সরকারের কঠোর সমালোচনা করেছেন।
জামায়াত নেতা রফিকুল ইসলাম বাজেটকে গরিব মারার বাজেট আখ্যা দিয়ে সরকারের কঠোর সমালোচনা করেছেন।
গভর্নর বলেন, একদল মানুষ ব্যাংকে টাকা রাখল, আরেক দল চুরি করে নিয়ে গেল। এখন করদাতাদের টাকা দিয়ে এসব ব্যাংকে মূলধন জোগান দেওয়া হচ্ছে।
অনেক গ্রামীণ নারী, যাঁরা একসময় ক্ষুদ্রঋণ গ্রুপের সদস্য ছিলেন, পরবর্তী সময়ে স্থানীয় সরকারের সদস্য বা চেয়ারম্যান হয়ে সামাজিক নেতৃত্বেও নিজেদের প্রতিষ্ঠা করেছেন।
এসবিএসি ব্যাংকের চেয়ারম্যান মোখলেসুর রহমান বলেন, ব্যাংকে আমানতকারীদের টাকা সম্পূর্ণ নিরাপদ। আজ বুধবার ব্যাংকের ১৩ বছর পূর্তিতে সংবাদ সম্মেলনে গ্রাহক আস্থা, খেলাপি ঋণ ও লভ্যাংশ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এমডি মঈনুল কবীরও ব্যাংকের তারল্য ও ঋণ আদায়ের অগ্রগতি তুলে ধরেন।
বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ড ঋণসীমা দ্বিগুণ করার নীতিমালায় এমটিবির গ্রাহকরা বেশি তারল্য ও ক্রয়ক্ষমতা পাবেন। এমটিবি এমডি সৈয়দ মাহবুবুর রহমান স্বচ্ছতা, নিরাপত্তা ও ক্যাশলেস সমাজ গড়ার উদ্যোগ তুলে ধরেছেন। তরুণদের জন্য কো-ব্র্যান্ডেড কার্ড চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।
যেসব বন্ধ কারখানার ক্রয়াদেশ পাবে ও পণ্যের বাজার চাহিদা রয়েছে, তাদের চলতি মূলধনসুবিধা দিয়ে আবার চালু করতে এই তহবিল করা হচ্ছে।
চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে সরকারের ব্যাংকঋণ ৫৩ হাজার ৩৮৬ কোটি টাকায় পৌঁছে অর্ধলক্ষ কোটি ছাড়িয়েছে। বাজেটের লক্ষ্যমাত্রার অর্ধেকের বেশি ঋণ এ সময়ে নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে।
সদ্য বিদায়ী গভর্নর কঠিন সময়ে দায়িত্ব নিয়ে রিজার্ভ ও ডলার–সংকটসহ তখনকার সংকটগুলো সামাল দিয়েছেন। এখন নতুন গভর্নরকে চলমান সংস্কারগুলো বাস্তবায়ন করে ব্যাংক খাতকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।
গত দেড় দশকে দেশে নতুন ১৬টি ব্যাংক অনুমোদন পেয়েছে। সংসদে খোদ অর্থমন্ত্রীর দেওয়া বক্তব্য অনুযায়ী, এগুলোর বেশির ভাগই রাজনৈতিক বিবেচনায় প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। কোনো সন্দেহ নেই, বাংলাদেশের মতো ছোট বাজারে এত বেশি ব্যাংক থাকায় আন্তব্যাংক প্রতিযোগিতা বেড়েছে। ফলে অনেক ব্যাংক ঝুঁকিপূর্ণ ঋণ দিতে বাধ্য হয়েছে। একই সঙ্গে মন্দ ঋণ ও অর্থ পাচারের সংস্কৃতি গড়ে ওঠায় অনেক ব্যাংকই এখন ‘লাইফ সাপোর্টে’ আছে।
৩৪ কোটি টাকার ঋণ আত্মসাৎ মামলায় এস আলম ও পি কে হালদারসহ ১৩ আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিয়েছেন ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের সহকারী ভাইস প্রেসিডেন্ট।
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত জুনে দেশের অভ্যন্তরে ক্রেডিট কার্ডে খরচ হয়েছে ৪ হাজার ৪৬১ কোটি টাকা, যা গত বছরের জুলাইয়ে ছিল ৩ হাজার ৮৪ কোটি টাকা।
আইনটির এই ধারায় বিতর্কিত ব্যবসায়ীদের ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণে ফেরার সুযোগ রাখা হয়েছিল।