বিএনপির বড় বিজয় ও গণতান্ত্রিক পথচলার পরীক্ষা
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্পষ্ট ও নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলকে (বিএনপি) আন্তরিক অভিনন্দন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্পষ্ট ও নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলকে (বিএনপি) আন্তরিক অভিনন্দন।
জাতীয় যুবনীতি ২০০৭ অনুসারে, ১৮ থেকে ৩৫ বছর বয়সীদের ‘যুব’ হিসেবে গণ্য করা হয়। সে হিসেবে এবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ভোটারের ৪২ শতাংশের বেশি ছিল তরুণ।
চার দশক আগে প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন হাফিজ উদ্দিন আহমদ, তার ১৫ বছর পর খালেদা জিয়ার সরকারে পূর্ণ মন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছিলেন, এবার তারেক রহমানের সরকারেও মন্ত্রী হলেন তিনি।
ফরিদপুর-১ আসনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এর আগে আওয়ামী লীগ ছাড়া অন্য কোনো দলের প্রার্থীর জয়ের রেকর্ড ছিল না।
জুলাই অভ্যুত্থানের পর অ্যাটর্নি জেনারেলের দায়িত্ব পেয়েছিলেন মো. আসাদুজ্জামান, এরপর ভোটের লড়াইয়ে নেমে হন সংসদ সদস্য। প্রথমবার আইনপ্রণেতা হয়েই মন্ত্রী হলেন এই আইনজীবী।
নেত্রকোনা-১ (সদর-দুর্গাপুর) আসনের সংসদ সদস্য কায়সার কামাল মন্ত্রিসভায় জায়গা পেয়েছেন। মঙ্গলবার বিকেলে তিনি ভূমি প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন।
টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য সুলতান সালাউদ্দিন টুকু প্রতিমন্ত্রী হিসেবে মঙ্গলবার বিকেলে শপথ নিয়েছেন।
বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় শপথ নেবেন নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা।
সংসদ যখন কার্যকর থাকে না, তখন জনতা অনিবার্যভাবে রাজপথে নেমে আসে। জনতার সঙ্গে রাজপথে নেমে আসে সংঘাতও।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই–তৃতীয়াংশের বেশি সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে বিজয় লাভের পর বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান সংবাদ সম্মেলনে দেওয়া বক্তব্যে বিভাজন কাটিয়ে জাতীয় ঐক্য ও পুনর্গঠনের বার্তা দিয়েছেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ফকির মাহবুব আনাম স্বপন নির্বাচিত হওয়ায় দীর্ঘদিনের হারানো আসনটি ফিরে পেল বিএনপি।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৯ (সাভার) ও ঢাকা-২০ (ধামরাই) আসনে মোট প্রার্থী ছিলেন ১৪ জন, মোট ভোটকেন্দ্র ৪২২টি। প্রার্থীদের মধ্যে অনেকেই একাধিক ভোটকেন্দ্রে শূন্য, এক ও দুটি করে ভোট পেয়েছেন।