
আওয়ামী লীগের ‘ভোট ব্যাংকে’ নির্ধারিত হবে বিএনপি-জামায়াত প্রার্থীর ভাগ্য
৪ লাখ ৬৮ হাজার ৩৬২ জন ভোটারের আসনটিতে আসন্ন নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন চারজন। এর মধ্যে সংখ্যালঘু ভোটার প্রায় ৭০ হাজার, যাঁরা আওয়ামী লীগের ভোট ব্যাংক হিসেবে পরিচিত।

৪ লাখ ৬৮ হাজার ৩৬২ জন ভোটারের আসনটিতে আসন্ন নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন চারজন। এর মধ্যে সংখ্যালঘু ভোটার প্রায় ৭০ হাজার, যাঁরা আওয়ামী লীগের ভোট ব্যাংক হিসেবে পরিচিত।

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ভোটের মাঠে নেমে তাদের ইশতেহার ঘোষণা করেছে। সেখানে আওয়ামী লীগ আমলে সংঘটিত সব মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার নিশ্চিতের পাশাপাশি ‘ট্রুথ অ্যান্ড রিকনসিলিয়েশন’ কমিশন প্রতিষ্ঠার কথা রয়েছে।

দেশে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গবেষণায় গুরুত্বহীনতার বিষয়টি কারও অজানা নয়। এ ক্ষেত্রে গবেষণায় অপ্রতুল বরাদ্দ, পরিকল্পনাহীনতা, সদিচ্ছার অভাব, দলীয় রাজনীতি লেজুড়বৃত্তিসহ নানা বিষয় প্রভাব ফেলে।

বিএনপি ও যুবদলের দুটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

নির্বাচনের দিন যত ঘনিয়ে আসছে, দেশের রাজনীতির মাঠ ও নির্বাচনী পরিবেশ ততই সহিংস হয়ে উঠছে বলে উল্লেখ করেছে মানবাধিকার ও আইনগত সহায়তা সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)।

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ১৫ থেকে ২৩ ও ৩১ থেকে ৩৫ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে বিস্তৃত এই আসন। বাগমনিরাম, চকবাজার, বাকলিয়া, দেওয়ানবাজার, জামালখান, এনায়েত বাজার, আলকরণ, আন্দরকিল্লা, ফিরিঙ্গীবাজার, পাথরঘাটা, বক্সিরহাট—এগুলো শুধু কয়েকটি এলাকার নাম নয়; এগুলোই চট্টগ্রামের ইতিহাস, বাণিজ্য আর নগরজীবনের কেন্দ্র।

দুপুর সাড়ে ১২টায় শফিকুর রহমান সমাবেশস্থলে যোগ দেন। তিনি জনসভায় জেলার ১১টি আসনের প্রার্থীদের হাতে দলীয় প্রতীক তুলে দিয়ে সবার জন্য ভোট চান।

আজ মঙ্গলবার সকালে কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার কোনাখালী ইউনিয়নের জঙ্গলকাটা এলাকায় এক নির্বাচনী পথসভায় এ কথাগুলো বলেন তিনি।

যারা ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে, তারা ইতিমধ্যে হেরে গেছে বলে উল্লেখ করেন মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম।

গত এক যুগের বেশি সময়ে রাজনীতি ও সমাজে নানা চ্যালেঞ্জ বিদ্যমান থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশ যে অর্থনৈতিকভাবে উল্লেখযোগ্য উন্নতি অর্জন করেছে, তা অস্বীকার করার সুযোগ নেই।

সংবাদ সম্মেলনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে নির্বাচনী দায়িত্বে বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোরের (বিএনসিসি) ক্যাডেট মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বিএনপি।

কিশোরগঞ্জ-৫ (নিকলী ও বাজিতপুর) আসনে বিএনপির অভ্যন্তরীণ বিভক্তি নির্বাচনী হিসাব-নিকাশ জটিল করে তুলেছে। বিএনপির সাধারণ নেতা-কর্মীরা কেউ দলীয় প্রার্থী, আবার কেউ বিদ্রোহী প্রার্থীর পক্ষে কাজ করছেন।