নবীজির (সা.) উপমায় প্রাণ ও প্রকৃতি: ১
যারা অজ্ঞ ও অহংকারী, তারা কখনো হেদায়েত পায় না, জ্ঞানও হাসিল করতে পারে না। বৃষ্টি ও মাটির উদাহরণ দিয়ে বিষয়টি তিনি চমৎকারভাবে তিনি বুঝিয়েছেন।
যারা অজ্ঞ ও অহংকারী, তারা কখনো হেদায়েত পায় না, জ্ঞানও হাসিল করতে পারে না। বৃষ্টি ও মাটির উদাহরণ দিয়ে বিষয়টি তিনি চমৎকারভাবে তিনি বুঝিয়েছেন।
কোরআনের তাফসিরের ক্ষেত্রে ভিত্তিহীন বর্ণনার ব্যাপারে আমাদের সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। যে বর্ণনা একজন নবীর চারিত্রিক পবিত্রতাকে ক্ষুণ্ণ করে, তা কখনোই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।
মক্কার বিশিষ্ট ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে এই বিবাহ সম্পন্ন হয়। আবু তালিব যে খুতবা পাঠ করেন, তা জাহেলি যুগের আরবি গদ্যসাহিত্যে বিশেষ মর্যাদা লাভ করে।
মুমিনরা কেবল সেই বিজয়ের আমানতদার বা প্রহরী মাত্র। আল্লাহ ইসলামের খেদমতের জন্য কাউকে নির্বাচন করেন, এটি সেই বান্দার জন্য এক মহা সম্মান।
যদিও বর্তমান জনসমাজে রজব মাসের সাতাশ তারিখটি অধিক পরিচিত, কিন্তু গবেষণালব্ধ মত অনুযায়ী রবিউল আউয়াল মাসের ১২ বা ১৭ তারিখ হওয়ার সম্ভাবনাও প্রবল।
আমাদের কাজ হলো, আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা এবং যখনই মন অস্থির হবে, নিজেকে মনে করিয়ে দেওয়া, ‘আমি তো এখানে স্থায়ী নই, আমি তো কেবলই একজন মুসাফির।’
আল্লাহ-তাআলা নুহ (আ.)-এর নৌযানে যাঁদের আরোহন করিয়েছিলেন, তাঁদের একজন ছিলেন জুরহুম, তাঁর মাধ্যমে বিশুদ্ধ আরবি টিকে থাকে এবং ভাগ্য জুরহুমকে টেনে আনে মক্কায়।
মহানবী (সা.) আমাদের এমন এক চমৎকার ও প্রজ্ঞাপূর্ণ দোয়া শিক্ষা দিয়েছেন, যা আন্তরিক বিশ্বাসের সঙ্গে উচ্চারণ করলে জান্নাত পাওয়ার পথ সুগম হবে।
সলামে নতুন চাঁদ দেখা আল্লাহর কাছে কল্যাণ প্রার্থনার বিশেষ সুযোগ। মহানবী (সা.) আকাশে নতুন চাঁদ দেখলে উম্মতকে সঙ্গে নিয়ে একটি বিশেষ দোয়া পাঠ করতেন।
রবীন্দ্রনাথের ইসলাম-ভাবনা কেবল সংগীত বা কাব্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না। বিভিন্ন সময়ে তিনি ইসলাম ও মহানবী সম্পর্কে স্পষ্ট ও শ্রদ্ধাশীল বক্তব্য রেখেছেন। ১৯৩৩ সালে ‘পয়গম্বর দিবস’-এর একটি অনুষ্ঠানে তাঁর লেখা একটি বাণী পাঠ করেছিলেন সরোজিনী নাইডু। সেখানে রবীন্দ্রনাথ বলেন, পৃথিবীর মহান ধর্মগুলোর অন্যতম ইসলাম এবং তার অনুসারীদের দায়িত্বও তাই গভীর।
এখন জিলকদ মাস চলছে। মহানবী (সা.) হিজরতের পর মোট চারবার ওমরাহ পালন করেছেন। বিভিন্ন হাদিসে দেখা যায়, তাঁর প্রতিটি ওমরাহ জিলকদ মাসেই সম্পন্ন হয়েছে।
মহানবী (সা.)-এর যুগের সাহাবীদের বিভিন্ন পেশা থেকে ইসলামী কর্মসংস্কৃতির আদর্শ উদ্ভাসিত হয়। কুরআন ও হাদিসের আলোকে পেশাগত নৈতিকতা ও প্রযুক্তিযুগে ভারসাম্যের পথ দেখানো হয়েছে। দারিদ্র্য নিরসনে সভ্যতা-নির্মাণের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে।