ঋণ বিতরণে সতর্ক হতে হবে
সীমিত সম্পদ অকার্যকরভাবে ব্যবহার না করে যেসব প্রতিষ্ঠান বাস্তবিকভাবে টিকে থাকতে পারবে এবং উৎপাদনে ফিরতে পারবে, তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী সহায়তা দেওয়াই বেশি যৌক্তিক হবে।
সীমিত সম্পদ অকার্যকরভাবে ব্যবহার না করে যেসব প্রতিষ্ঠান বাস্তবিকভাবে টিকে থাকতে পারবে এবং উৎপাদনে ফিরতে পারবে, তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী সহায়তা দেওয়াই বেশি যৌক্তিক হবে।
উচ্চ মূল্যস্ফীতির মধ্যেই নীতি সুদহার কমানোর পর সম্ভাব্য প্রভাব, মূল্যস্ফীতির চাপের উৎস, ঋণপ্রবাহ ও চাহিদা পরিস্থিতি—এসব বিষয় নিয়ে বিশ্লেষণ তুলে ধরা হয়েছে। পাশাপাশি বন্যার প্রভাবে জুলাইয়ে খাদ্যপণ্যের উৎপাদন ও সরবরাহে বিঘ্নের আশঙ্কাকেও বিবেচনায় আনা হয়েছে।
ব্র্যাকের ‘তারা’ সেবায় নারী উদ্যোক্তারা জামানত ছাড়া ঋণ পাবেন সর্বোচ্চ ২ কোটি টাকা। প্লাটিনাম তারা মাল্টি কারেন্সি ডেবিট কার্ড দিয়ে দিনে ৮ লাখ টাকা তুলতে পারবেন।
খেলাপি ঋণের বোঝা কমাতে বিশেষ ‘এক্সিট’ বা নিষ্ক্রমণ–সুবিধা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
নতুন এই ঋণসেবা চালুর সাড়ে চার বছরে বিতরণ করা ঋণের পরিমাণ ছাড়িয়েছে ১০ হাজার কোটি টাকা।
নৌযানের বাড়তি চাহিদা ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার কথা মাথায় রেখে ব্র্যাক ব্যাংক নিয়ে এসেছে একটি সময়োপযোগী ও কৌশলগত লোন প্রোডাক্ট ‘তরঙ্গ’।
সিটি গ্রুপকে ঘিরে সাম্প্রতিক আলোচনা তাই শুধু ২৬ হাজার ৬০০ কোটি টাকার ব্যাংক ঋণের গল্প নয়। এটি বাংলাদেশের কর্পোরেট অর্থনীতি, ব্যাংকিং খাত এবং উদ্যোক্তা সংস্কৃতির গভীরে লুকিয়ে থাকা কিছু বাস্তবতারও প্রতিচ্ছবি।
সংসদ সদস্য রেজা কিবরিয়া ব্যাংকিং খাতের নাজুক অবস্থার সমালোচনা করে খেলাপি ঋণ বৃদ্ধি, সুদের অস্বাভাবিক হার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
বিরোধী দল জাতীয় সংসদে পাস হওয়া ২০২৬-২৭ বাজেটকে অপরিকল্পিত ও অবাস্তবায়নযোগ্য আখ্যা দিয়ে এর বিরোধিতা করেছে।
আজ বুধবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে বিসিআই কার্যালয়ে বাজেট নিয়ে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় ব্যবসায়ী নেতারা এই শঙ্কার কথা বলেন।
উপদেষ্টা পরিষদ গত বৃহস্পতিবার ‘বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফিন্যান্স করপোরেশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬’ অনুমোদন করেছে।
চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে সরকারের ব্যাংকঋণ ৫৩ হাজার ৩৮৬ কোটি টাকায় পৌঁছে অর্ধলক্ষ ছাড়িয়েছে। আগের অর্থবছরের তুলনায় এটি আটগুণ বেড়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন। ব্যাংকবহির্ভূত খাত থেকে ঋণ কমলেও মোট অভ্যন্তরীণ ঋণ দ্বিগুণের কাছাকাছি।