
খেলাপি ঋণ নবায়নে বিশেষ সুবিধা জাহাজনির্মাণ শিল্পে
রপ্তানিমুখী ও স্থানীয় জাহাজনির্মাণ শিল্পের ঋণ পুনঃ তফসিল ও পুনর্গঠনে বিশেষ নীতিমালা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এতে মাত্র দেড় শতাংশ অর্থ জমা দিয়ে ঋণ নবায়ন করতে পারবেন এ খাতের উদ্যোক্তারা।

রপ্তানিমুখী ও স্থানীয় জাহাজনির্মাণ শিল্পের ঋণ পুনঃ তফসিল ও পুনর্গঠনে বিশেষ নীতিমালা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এতে মাত্র দেড় শতাংশ অর্থ জমা দিয়ে ঋণ নবায়ন করতে পারবেন এ খাতের উদ্যোক্তারা।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক গতি কমেছে। প্রবৃদ্ধি কমেছে, মূল্যস্ফীতি অনেক দিন ধরে উচ্চপর্যায়ে রয়েছে এবং ব্যাংক খাত খেলাপি ঋণের ভারে জর্জরিত হয়ে আছে। বেসরকারি ও বিদেশি বিনিয়োগ কম, সরকারি বিনিয়োগ অনেক ক্ষেত্রে অদক্ষ ও অপচয়মুখী, সরকারি ঋণ বেড়েছে, মানুষের প্রকৃত আয় কমছে এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি অনেক কমে গেছে। এসব কারণে অর্থনীতির ওপর দীর্ঘমেয়াদি চাপ তৈরি হয়েছে।

এরই মধ্যে ৯টি আর্থিক প্রতিষ্ঠান অবসায়ন বা বন্ধের প্রক্রিয়া শুরু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এসব প্রতিষ্ঠানের খেলাপি ঋণ ৯৯ শতাংশ পর্যন্ত।

ব্র্যাক ব্যাংক ‘রিয়েল-টাইম ডিজিটাল লিটিগেশন টুল’ চালু করেছে। এ সিস্টেমের আওতায় ফ্রন্টলাইন কর্মীরা মোবাইল-এনাবলড্ ডিজিটাল ট্যাব ব্যবহার করবেন, যার মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে মাঠপর্যায়ের মামলার তথ্য ও হালনাগাদ অবস্থা জানা যাবে।

আজ মঙ্গলবার ব্যাংকটি এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছে, গত বছর শেষে সোনালী ব্যাংকের প্রকৃত মুনাফা হতে পারে দেড় হাজার কোটি টাকার বেশি।

ব্র্যাকের ‘তারা’ সেবায় নারী উদ্যোক্তারা জামানত ছাড়া ঋণ পাবেন সর্বোচ্চ ২ কোটি টাকা। প্লাটিনাম তারা মাল্টি কারেন্সি ডেবিট কার্ড দিয়ে দিনে ৮ লাখ টাকা তুলতে পারবেন।

প্রস্তাবিত এই ব্যাংকের অধ্যাদেশের খসড়া চূড়ান্ত। এখন আছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে। উপদেষ্টা পরিষদ তা অনুমোদন করলেই জারি হবে অধ্যাদেশ।

ব্যবসায়ীরা এখন থেকে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) আমদানির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ২৭০ দিন পর্যন্ত বাকিতে বা ঋণে এই গ্যাস আমদানির সুযোগ পাবেন।

ফ্ল্যাট–প্লট কিনতে ঋণ নেবেন কীভাবে

ঋণ নিতে চাকরিজীবীদের মাসিক আয় কমপক্ষে ২৫ হাজার টাকা হতে হবে। ব্যবসায়ী ও বাড়িওয়ালারাও ঋণ নিতে পারবেন।

সিডিএফের মতে, এনজিও চলবে এনজিওর মতো, যার নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ হবে এমআরএ এবং যে অংশটুকু ব্যাংকে স্থানান্তর হবে, সেটুকুর নিয়ন্ত্রণ করবে বাংলাদেশ ব্যাংক। কোনোভাবেই দ্বৈত নিয়ন্ত্রণে প্রস্তাবিত ক্ষুদ্রঋণ ব্যাংক পরিচালিত হবে না।

বিবৃতিতে বলা হয়, কীভাবে বিদ্যমান ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানগুলো ক্ষুদ্রঋণ ব্যাংকে রূপান্তরিত হবে, সে বিষয়ে অধ্যাদেশে কোনো সুস্পষ্ট, নির্দিষ্ট বা বাস্তবায়নযোগ্য রূপরেখা নেই।