
রুমিনের পক্ষে কাজ করায় বিএনপির আরও ৩০ নেতাকে বহিষ্কার
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী রুমিন ফারহানার নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেওয়ার কারণে সরাইল উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের ৩০ জন নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী রুমিন ফারহানার নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেওয়ার কারণে সরাইল উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের ৩০ জন নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

নির্বাচনের সরগরম প্রচারণার মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ছবিসহ একটি ফটোকার্ড তৈরি করা হয়েছে, যেখানে দাবি করা হয়েছে যে তিনি বলেছেন, ‘আওয়ামী লীগ-বিএনপি ভাই ভাই, ধানের শীষে ভোট চাই।’ আসলে এমন কোনো কথা তিনি বলেননি।

এর আগে গতকাল রোববার তারেক রহমান ঢাকা উত্তরের ছয়টি সংসদীয় আসনে জনসভায় অংশ নেন।

সব মিলিয়ে এ আসনে চতুর্মুখী লড়াইয়ের আভাস পাওয়া গেছে। উপজেলা ঘুরে চারজন প্রার্থীরই সমান প্রচারণা দেখা গেল।

প্রার্থী ও তাঁদের সমর্থকেরা ভোটের মাঠের পাশাপাশি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ফেসবুক, ইউটিউবসহ বিভিন্ন অনলাইন মাধ্যমে ভোটারদের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন।

কর্মসংস্থানের সুবাদে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে গাজীপুরে আসা শ্রমিকদের বড় একটি অংশ এখন সেখানকার ভোটার।

ক্ষমতায় এলে মেয়েদের জন্য বিএনপির বিশেষ শিক্ষা ও স্বাস্থ্য পরিকল্পনা রয়েছে।

সিলেটের ছয়টি আসনে শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে প্রচার-প্রচারণা। নির্বাচনী জনসভা, পথসভা আর গণসংযোগ করে প্রার্থীরা দিচ্ছেন প্রতিশ্রুতি।

বিএনপির ঘোষিত রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের ৩১ দফা কর্মসূচি প্রচারপত্র আকারে ছাপানো হয়েছে পাহাড়ের ১০টি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর ভাষায়। নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে এ ধরনের প্রায় ৮০ হাজার প্রচারপত্র বান্দরবানে বিলির ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলার নেতারা।

মামুনুল হক বলেন, দেশের জনগণ বিগত দিনের রাজনীতির কাঁধে সওয়ার হওয়া ‘দুই ভূতকে’ বিদায় করতে ঐক্যবদ্ধ হয়েছেন।

বাংলাদেশে নির্বাচনী প্রচারণার মধ্যেই মিয়ানমারে ভোট হয়ে গেল। তিন পর্যায়ে অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচন শেষ হলো ২৫ জানুয়ারি।

ভোলা-১ (সদর) আসনে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেওয়া সব দলের মনোনীত প্রার্থীরা ভোলাবাসীর দীর্ঘদিনের ৬ দফা দাবি বাস্তবায়নের আশ্বাস দিচ্ছেন।