ট্রাম্প নন, ইরানের বড় হুমকি দেশের ভেতরেই
ইরান আর বিপ্লবী রাষ্ট্র নয়। এটি এখন এক ভীত, কোণঠাসা ধর্মতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা, যা আতঙ্ক নিয়ে ক্ষমতা আঁকড়ে ধরে আছে। তারা শুধু মার্কিন যুদ্ধজাহাজ বা ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানের ভয়ে আছে, এমনটা নয়।
ইরান আর বিপ্লবী রাষ্ট্র নয়। এটি এখন এক ভীত, কোণঠাসা ধর্মতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা, যা আতঙ্ক নিয়ে ক্ষমতা আঁকড়ে ধরে আছে। তারা শুধু মার্কিন যুদ্ধজাহাজ বা ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানের ভয়ে আছে, এমনটা নয়।
এ চুক্তিকে ট্রাম্প তাঁর প্রথম মেয়াদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক সাফল্যগুলোর একটি বলে উল্লেখ করেছেন।
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের ‘পিক্যাক্স মাউন্টেন’ নামে পরিচিত পরমাণু স্থাপনায় হামলা ও তা ধ্বংসের হুমকি দিয়েছেন।
লেবাননে ক্রমবর্ধমান হামলা চালানোর জন্য ট্রাম্প ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর তীব্র সমালোচনা করেন।
হতাশ ট্রাম্প কেন আবার ইরানে বোমাবর্ষণে নামলেন
হরমুজ প্রণালী খোলার আলটিমেটাম দিয়েছেন ট্রাম্প, না মানলে ইরানকে এক রাতে ধ্বংসের হুমকি। বিদ্যুৎকেন্দ্র-সেতু ধ্বংস যুদ্ধাপরাধ হলেও তা নিয়ে তিনি চিন্তিত নন। পাকিস্তান, তুরস্ক ও মিসর মধ্যস্থতায় কাজ করে যাচ্ছে।
যুদ্ধের সর্বশেষ পরিস্থিতি নিয়ে ট্রাম্প গতকাল রোববার সন্ধ্যা পর্যন্ত প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেননি।
সম্প্রতি ট্রাম্প তেহরানকে আবারও সতর্ক করেছেন। বিক্ষোভকারীদের হত্যা বা পারমাণবিক কর্মসূচি নতুন করে শুরু করা হলে তার পরিণতি ভোগ করতে হবে।
ইসলামাবাদে আগামী সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সংঘাত নিরসনে আলোচনা শুরু হতে পারে। মধ্যস্থতাকারীদের সহায়তায় দুই পক্ষ এক পৃষ্ঠার সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) নিয়ে কাজ করছে, যাতে পারমাণবিক কর্মসূচি ও নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয় অন্তর্ভুক্ত। তবে কয়েকটি বড় বিষয়ে এখনো মতপার্থক্য রয়েছে।
হোয়াইট হাউসের ঘোষণার পর সবাই আশা করেছিল ট্রাম্প ইরান যুদ্ধ নিয়ে বড় ঘোষণা করবেন, কিন্তু বুধবারের সংক্ষিপ্ত ভাষণে তিনি পুরোনো কথাই পুনরাবৃত্তি করলেন। বিশ্লেষকরা বলছেন, এতে নতুন কোনো পরিকল্পনা নেই। আল–জাজিরার প্রতিবেদন থেকে সংক্ষিপ্ত।
ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সেনা আটকের খবর নাকচ করল ট্রাম্প প্রশাসন।
ইরান বারবার ইঙ্গিত দিয়েছে, তেহরানের জব্দ থাকা সম্পদের অন্তত একাংশ অবমুক্ত না হলে চুক্তি না–ও হতে পারে।