
মৌলভীবাজারে ২০০ বছরের পুরোনো চামড়াবাজারে এবারের ঈদের রাত
কোরবানির ঈদের রাতজুড়ে মৌলভীবাজারের বালিকান্দি চামড়ার বাজারে চলে শত শত মানুষের ব্যস্ততা, যেখানে লোকসানের শঙ্কার মধ্যেও টিকে আছে প্রায় ২০০ বছরের ঐতিহ্য।

কোরবানির ঈদের রাতজুড়ে মৌলভীবাজারের বালিকান্দি চামড়ার বাজারে চলে শত শত মানুষের ব্যস্ততা, যেখানে লোকসানের শঙ্কার মধ্যেও টিকে আছে প্রায় ২০০ বছরের ঐতিহ্য।

ঢাকার দুই সিটির বিভিন্ন এলাকায় আজ শুক্রবার সকালেও কোরবানির বর্জ্য পড়ে থাকতে দেখা গেছে।

ঢাকায় মাঝারি গরুর কাঁচা চামড়া বিক্রি হয়েছে প্রতিটি ৫০০-৬৫০ টাকায়। যা গত বছর বিক্রি হয়েছে ৭০০-৮০০ টাকায়।

ফোর্থ ইয়ারের এক বিকেলে এলাকা থেকে চেয়ারম্যানের ফোনে হকচকিত হয়ে যায় ফারহান। ফোন পেয়েই সে বাড়ির পথ ধরে। কিন্তু ততক্ষণে মা আর ফারহানের অপেক্ষায় থাকতে পারলেন না। সেই সন্ধ্যায় মায়ের সঙ্গে শেষ দেখা হয় ফারহানের।

ঈদের দিনে কোরবানির বর্জ্য দ্রুত অপসারণে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন ব্যস্ত হয়ে পড়েছে।

সাভারের ট্যানারির মালিকেরা বলছেন, এ বছর কমবেশি ১ কোটি পিস কোরবানির পশুর চামড়া সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়ছে।

করোনা মহামারির পর পড়াশোনা ছেড়ে কসাই পেশায় নিয়োজিত হয়েছেন শামীম মিয়া।

ঈদের দিন গ্রামে ঘুরে চামড়া কিনে বিপাকে পড়েছেন গাইবান্ধার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে চামড়া কেনার পর স্থানীয় পাইকারেরা তা কিনতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না। ফলে কেউ লোকসানে বিক্রি করছেন, কেউ আবার বাড়িতে লবণ দিয়ে সংরক্ষণ করছেন।

কোরবানির এই ঈদের দিন জাতীয় চিড়িয়াখানায় খুব কম দর্শনার্থী দেখা গেল। অবশ্য দর্শনার্থী কম থাকায় আগতরা খুশি। কারণ, হুড়োহুড়ি নেই।

‘সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ঘুরে ৪০টি গরুর চামড়া সংগ্রহ করেছি। বড় আর মাঝারি আকারের চামড়া। প্রতিটি কিনেছি গড়ে ৪০০ টাকা করে। ১ হাজার টাকা গাড়িভাড়া দিয়ে চট্টগ্রাম নগরের চৌমুহনী এলাকায় এনেছি। এখানে ১৫০ টাকার বেশি কেউ দিতে চাইছে না।’

আধঘণ্টার ব্যবধানে আনুষ্ঠানিকভাবে কোরবানির বর্জ্য অপসারণ কাজ শুরু করেছে ঢাকা উত্তর ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন।

কোরবানির বর্জ্য অপসারণে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন ১২ ঘণ্টার সরকারি সময়সীমার আগেই কাজ শেষ করার ঘোষণা দিয়েছে।