এআইয়ের উত্থানে সফটওয়্যার প্রকৌশলের পেশা বিলুপ্ত হতে পারে: অ্যানথ্রপিকের সিইও
এআই ধীরে ধীরে নিজেই কাজ করতে শুরু করেছে। এর প্রথম বড় প্রভাব পড়তে পারে সফটওয়্যার প্রকৌশল পেশায়।
এআই ধীরে ধীরে নিজেই কাজ করতে শুরু করেছে। এর প্রথম বড় প্রভাব পড়তে পারে সফটওয়্যার প্রকৌশল পেশায়।
চীনের শ্রমবাজার একটি বড় ধরনের কাঠামোগত রূপান্তরের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।
ড্যানিয়েল কোকোটাজলো গত এপ্রিলে ‘এআই ২০২৭’ শীর্ষক একটি সময়সীমা প্রকাশ করে ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দিয়েছিলেন।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) কাজে লাগিয়ে দ্রুত বিজ্ঞাপনের উপযোগী পণ্যের ছবি তৈরি করতে নিজেদের পোমেলি এআই টুলে ‘ফটোশুট’–সুবিধা চালু করেছে গুগল।
গত জুলাইয়ে বিদেশি কোনো উৎস থেকে নিজেদের সরকারি সংস্থাগুলোতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাচালিত (এআই) সাইবার হামলার ঘটেছে বলে জানিয়েছে তাইওয়ান।
এআই ও অটোমেশনের সম্ভাব্য প্রভাব সামনে রেখে দক্ষতা, অবকাঠামো এবং প্রস্তুতি বাড়ানো গেলে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে—এমনই ইঙ্গিত দিয়েছে সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষণ ও প্রতিবেদন।
এআই প্রযুক্তি নিয়ে চাকরি হারানোর আশঙ্কা বাড়লেও অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোস বলেছেন, এআইকে ‘চাকরিখেকো’ ভাবার কারণ নেই।
এআই যেমন নতুন সম্ভাবনা ও সুযোগের দুয়ার খুলে দিয়েছে, ঠিক তেমনি তৈরি করেছে নানামুখী সংকট ও সামাজিক ঝুঁকি।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে তৈরি বা সম্পাদিত ভিডিও স্বয়ংক্রিয়ভাবে শনাক্ত করার নতুন ব্যবস্থা চালু করছে ইউটিউব।
জেনারেটিভ এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে স্মার্টফোনের তথ্য চুরি করতে সক্ষম ম্যালওয়্যারের সন্ধান পেয়েছে সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান ইসেট।
এআই কি আমাদের জন্য কেবল একটি ‘ফ্যাশন’ শব্দ থাকবে, নাকি উৎপাদনশীলতা, সেবা ও শাসনব্যবস্থায় বাস্তব পরিবর্তন আনবে, তা নির্ভর করছে কিছু কঠিন বাস্তব সিদ্ধান্তের ওপর।
একাই লোগো ডিজাইন, থ্রি–ডি অ্যানিমেশন, মোশন গ্রাফিকস, সবকিছুতে পারদর্শী হওয়া কঠিন। কিন্তু এজিআইয়ের জন্য এসব ডালভাত।