
‘যে ব্যক্তি মিতব্যয়ী হয়, সে কখনো অভাবে পড়ে না’
মিতব্যয়িতা মানুষকে মুখাপেক্ষী হওয়া থেকে রক্ষা করে। যখন কেউ অল্পে তুষ্ট থাকে এবং পরিকল্পনা অনুযায়ী ব্যয় করে, তখন আল্লাহ তার বরকতের দুয়ার খুলে দেন।

মিতব্যয়িতা মানুষকে মুখাপেক্ষী হওয়া থেকে রক্ষা করে। যখন কেউ অল্পে তুষ্ট থাকে এবং পরিকল্পনা অনুযায়ী ব্যয় করে, তখন আল্লাহ তার বরকতের দুয়ার খুলে দেন।

হিংসা, অহংকার, সংশয় আর অস্থিরতা হলো অন্তরের কঠিন ব্যাধি। এই আধ্যাত্মিক রোগগুলো থেকে মুক্তি পেতে পবিত্র কোরআনের ১০টি মহৌষধ তুলে ধরা হলো।

এক বালতি পানির জন্য হাজিদের হাহাকার তাঁকে যে অস্থিরতা দিয়েছিল, তার বিনিময়ে তিনি পৃথিবীকে উপহার দিয়েছিলেন এক চিরস্থায়ী সদকায়ে জারিয়া।

সময়ের সঙ্গে এগুলো বদলে যায়, কখনো হঠাৎ ভেঙে পড়ে। ফলে এসবের ওপর নিজের পরিচয় দাঁড় করালে ভেতরে অস্থিরতা ও শূন্যতা তৈরি হয়।

দুনিয়াতে মানুষ অন্যের সম্মান করে তার বাহ্যিক চেহারা, বংশ পরিচয় বা সম্পদের কারণে। কিন্তু আল্লাহর কাছে মানদণ্ড এটি নয়, বরং মানুষের অন্তরের অবস্থা এবং তার আমল।

আপনি ভালো কিছু করতে গেলে নানা বাহানায় আপনাকে অনুৎসাহিত করে। তখন মনে হয় না, এই মানুষটা কি আসলে বন্ধু নাকি অন্য কিছু?

সচেতন মুসলিমের দায়িত্ব হলো সে যেন এই সাংস্কৃতিক স্রোতে অন্ধভাবে গা ভাসিয়ে না দিয়ে বরং সৃজনশীলতা ও তাকওয়ার ভারসাম্যে নিজের ডিজিটাল পদচিহ্নকে সুন্দর করে তোলে।

অনেকেই মক্কায় ঢোকার সঙ্গে সঙ্গে ওমরাহর জন্য এতই ব্যস্ত হয়ে পড়েন যে দীর্ঘ সফরের ক্লান্তি বা বিশ্রামের কথা ভুলে যান। এর প্রয়োজন নেই।

আধুনিক ও উদার দৃষ্টিভঙ্গির কারণেই ইসলামি আইন তার মৌলিক মূল্যবোধে অটল থেকেও পরিবর্তনশীল বাস্তবতার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে পারে।

মসজিদ ইসলামের শাশ্বত সংস্কৃতির এক জীবন্ত দর্পণ। এক আধ্যাত্মিক মিলনমেলা, যেখানে প্রতিদিন পাঁচবার একই কাতারে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়ায় মুমিনরা।

জুওয়াইনি শিখিয়েছেন যে খেলাফত কেবল একটি ‘নাম’ নয়, এটি একটি ‘কাজ’। যদি খেলাফত না থাকে, তবে বাস্তবসম্মত প্রশাসনিক কাঠামো তৈরি করা ইসলামের বিরোধী নয়।

দুনিয়ার মোহে অন্ধ হয়ে চিরস্থায়ী আখিরাতকে ভুলে যাওয়া প্রকৃত বুদ্ধিমানের কাজ নয়। দুনিয়ার আসক্তি কমিয়ে মনকে প্রশান্ত করতে কোরআনের ১০টি দিকনির্দেশনা দেওয়া হলো।