পাপ করেও যে মানুষ আল্লাহর প্রিয়
পাপ করে যেই অপরাধ করেছেন, আল্লাহ ছাড়া সেই ক্ষমা কোথায় পাবেন? কার কাছে চাইবেন? পবিত্র কোরআন নিশ্চয়তাও দিয়েছে, ক্ষমার দরজা সব সময় সবার জন্যই উন্মুক্ত।
পাপ করে যেই অপরাধ করেছেন, আল্লাহ ছাড়া সেই ক্ষমা কোথায় পাবেন? কার কাছে চাইবেন? পবিত্র কোরআন নিশ্চয়তাও দিয়েছে, ক্ষমার দরজা সব সময় সবার জন্যই উন্মুক্ত।
এই দিনের ফজিলত আল্লাহর কাছে এত বেশি যে কেউ যদি জুমার রাতে কিংবা জুমার দিবসে মারা যায়, আল্লাহ–তাআলা দয়া করে তাকে কবরের আজাব থেকে রক্ষা করেন।
‘যদি দানব হাসিনা, আল্লাহ না করুক, আবারও ফিরে আসে, যারা ফেসবুকের প্রোফাইল লাল করেছিলেন, তাদের জীবনটা কালো করে ছাড়বে,’ বলেছেন রেহানা আক্তার রানু।
জীবনের নিশ্চয়তা না থাকলেও একটি বিষয়ের নিশ্চয়তা আছে—দয়াময় আল্লাহ আমাদের জন্য তওবার দরজা খোলা রেখেছেন, যা প্রাণ কণ্ঠে পৌঁছে যাওয়ার আগপর্যন্ত বন্ধ হয় না।
মানুষের চিরশত্রু ইবলিশ শয়তান। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ–তাআলা কেয়ামতের দিবসে পথভ্রষ্ট অনুসারী এবং শয়তানের মধ্যকার এক ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরেছেন।
যদিও হজ কবুল হওয়া বা না হওয়া সম্পূর্ণভাবে আল্লাহ-তাআলার এখতিয়ারভুক্ত, তবে যদি কবুল হয়, তবে বাহ্যিকভাবে জীবনে ইতিবাচক কিছু লক্ষণ প্রকাশ পায়।
কারিনা, দিন যাবে, বছর যাবে। একসময় সবাই তোমাকে ভুলে যেতে পারে। কিন্তু তোমার বাবার বুকে তুমি চিরদিন থাকবে। আল্লাহ তোমাকে বেহেশত নসিব করুক। আমিন।
অন্যায়ের মুখে কখন প্রতিবাদ করব, কখন চুপ থাকব—কোরআন ও হাদিস এর ভারসাম্যের পথ দেখায়। জুলুমের শিকার হলে কথা বলা অধিকার, কিন্তু মন্দ কথা আল্লাহ পছন্দ করেন না। সঠিক সময়, নিয়ত ও ভাষায় সিদ্ধান্ত নিন।
তাবুক যুদ্ধে অনুপস্থিত তিন সাহাবির তওবার ঘটনা বর্ণনা করা হয়েছে। তারা কোনো অজুহাত না দিয়ে সত্য স্বীকার করেন এবং ৫০ দিনের বয়কটের পর আল্লাহ তওবা কবুল করেন। এ ঘটনা থেকে সৎকাজে দেরি না করা, সত্যের পথ অনুসরণ ও প্রকৃত অনুশোচনার শিক্ষা পাওয়া যায়।
যখন কোনো কাজ করা হবে, তখন তা হতে হবে সর্বোচ্চ গুণগত মানসম্পন্ন এবং নিখুঁত, যা বলা হয় ‘ইতকান’। কারণ, আল্লাহ আপনার প্রতিটি কাজের পর্যবেক্ষক।
মিতব্যয়িতা মানুষকে মুখাপেক্ষী হওয়া থেকে রক্ষা করে। যখন কেউ অল্পে তুষ্ট থাকে এবং পরিকল্পনা অনুযায়ী ব্যয় করে, তখন আল্লাহ তার বরকতের দুয়ার খুলে দেন।
ইসলামে শ্রমকে ইবাদত বলা হয়েছে। আল্লাহ–তাআলা বলেন, ‘অতঃপর যখন নামাজ পূর্ণ করা হবে, তখন জমিনে ছড়িয়ে পড়ো; আর আল্লাহকে অধিক স্মরণ করো—আশা করা যায় তোমরা সফল হবে।’ (সুরা-৬২ জুমুআহ্, আয়াত: ১০)