হিজবুল্লাহকে ইরানের সমর্থন, অনিশ্চয়তার মুখে অস্ত্রবিরতি চুক্তি
হিজবুল্লাহকে ইরানের সমর্থনে অনিশ্চয়তার মুখে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তিচুক্তি।
হিজবুল্লাহকে ইরানের সমর্থনে অনিশ্চয়তার মুখে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তিচুক্তি।
গতকাল হিজবুল্লাহর ১০০টির বেশি অবকাঠামো ও যোদ্ধাদের অবস্থানে হামলা চালানো হয়।
লেবাননজুড়ে নতুন করে বড় ধরনের বিমান হামলা শুরু করেছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী।
যুক্তরাষ্ট্রের একটি ফেডারেল আদালত সালমান রুশদির হামলাকারী হাদি মাতারকে আন্তসীমান্ত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকা ও হিজবুল্লাহকে সহায়তা দেওয়ার অভিযোগসহ আরও দুটি ক্ষেত্রে দোষী সাব্যস্ত করেছে।
সেপ্টেম্বর ২০২৪-এ ইসরায়েলি হামলায় হাসান নাসরুল্লাহসহ শীর্ষ নেতাদের মৃত্যুর পর নতুন কৌশলে পুনর্গঠনের চেষ্টা করছে হিজবুল্লাহ।
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান বৈঠক বাতিলের পর ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহ লেবাননে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে।
২০০৬ সালের হিজবুল্লাহ-ইসরায়েল যুদ্ধের অমীমাংসিত সমাপ্তি ঘটে। তবে সেই যুদ্ধ একটি দীর্ঘস্থায়ী উত্তেজনা তৈরি করে দিয়েছিল।
সর্বশেষ দুটি যুদ্ধে হিজবুল্লাহর কতজন যোদ্ধা নিহত হয়েছেন, তার কোনো আনুষ্ঠানিক হিসাব নেই।
যুদ্ধবিরতির পর বৈরুতের দক্ষিণ উপকণ্ঠে ইসরায়েলি বিমান হামলায় হিজবুল্লাহর রেদওয়ান ফোর্সের কমান্ডার মালেক বালু নিহতের দাবি করেছে ইসরায়েল। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু হামলার নির্দেশ দিয়েছেন নিশ্চিত করেছেন। হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে এখনো কোনো মন্তব্য নেই।
হিজবুল্লাহকে মোকাবিলা করার ক্ষেত্রে লেবানন সরকারের সক্ষমতা সীমিত
আগের মতো এখন আর হিজবুল্লাহ বৃহৎ পরিসরে যোদ্ধা মোতায়েনকে অগ্রাধিকার দেয় না। বরং তারা তাদের অধিকাংশ বাহিনী—বিশেষ করে পদাতিক ও অ-বিশেষায়িত ইউনিটগুলোকে—রিজার্ভ হিসেবে ধরে রাখতে পছন্দ করে। এর মাধ্যমে একদিকে নিজেদের ক্ষয়ক্ষতি কমানো যায়, অন্যদিকে শত্রুর গভীর অভ্যন্তরে আরও কার্যকর আঘাত হানার সুযোগ তৈরি হয়।
গত ২ মার্চ থেকে হিজবুল্লাহ ও ইসরায়েলের মধ্যে নতুন করে যুদ্ধ শুরু হয়।