
বাজেটে কম আয়ের মানুষের ওপর করের চাপ বেশি : সিপিডি
প্রস্তাবিত বাজেটে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের করদাতাদের ওপর করের চাপ বাড়লেও উচ্চ আয়ের ক্ষেত্রে তুলনামূলক প্রবৃদ্ধি কম, এতে বৈষম্যের অভিযোগ তুলেছে সিপিডি।

প্রস্তাবিত বাজেটে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের করদাতাদের ওপর করের চাপ বাড়লেও উচ্চ আয়ের ক্ষেত্রে তুলনামূলক প্রবৃদ্ধি কম, এতে বৈষম্যের অভিযোগ তুলেছে সিপিডি।

আজ বুধবার সকালে রাজধানীর ধানমন্ডিতে সিপিডি কার্যালয়ে ‘২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট: বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত কী পেল?’ শীর্ষক মিডিয়া ব্রিফিংয়ে গবেষণা সংস্থাটির পক্ষ থেকে এ পর্যালোচনা তুলে ধরা হয়।

প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিয়েছে সিডিপি। সামষ্টিক অর্থনীতির বর্তমান বাস্তবতাকে আড়াল করে বা অতিমূল্যায়ন করে এই ভিত্তি ঠিক করা হয়েছে বলে মনে করেন সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো মোস্তাফিজুর রহমান।

জীবাশ্ম জ্বালানি ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির মধ্যকার রাজস্ব বৈষম্যের বিষয়ে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম।

ফাহমিদা খাতুন বলেন, মূলত জ্বালানি, পরিবহন ও সেবা খাতের খরচ বৃদ্ধির কারণেই মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। অন্যদিকে মূল্যস্ফীতির তুলনায় মজুরি বৃদ্ধির হার এখনো অনেক কম।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) মুনাফার বাইরেও জ্বালানির ওপর দেশে প্রায় ২০-২৫ শতাংশ বিভিন্ন ধরনের কর রয়েছে।

‘নতুন সরকারের অর্থনৈতিক ও সামাজিক খাতে নীতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত: ১৮০ দিন ও তারপর’ শীর্ষক মিডিয়া ব্রিফিংয়ের নতুন সরকারের কাছে এই আহ্বান জানায় গবেষণা সংস্থাটি।

সিপিডির গবেষণা পরিচালক গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, এ ধরনের চুক্তি কীভাবে একটি অনির্বাচিত সরকার করে যেতে পারল বা এই দায় কীভাবে একটি নির্বাচিত সরকারের কাঁধে দিতে পারল, তা বোধগম্য নয়।

ভোটারদের পাশাপাশি রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের মধ্যেও উন্নয়ন নিয়ে প্রায় একই ধরনের দৃষ্টিভঙ্গি দেখা গেছে।

কোনো ধরনের আলাপ-আলোচনা ছাড়া, কোনো ধরনের বিশেষজ্ঞ পরামর্শ ছাড়া মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের মাধ্যমে এ ধরনের একটি কাজ (খসড়া মহাপরিকল্পনা প্রস্তুত) গোপনে শেষ করার বিষয়টি আগের সরকারের আচরণকে মনে করিয়ে দেয় বলে মন্তব্য করেন খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম।

ফাহমিদা খাতুন বলেন, বিনিয়োগ না বাড়লে বৈষম্য ও অস্থিরতা বাড়বে। সমাজে যদি ন্যায়সংগত সুযোগ না থাকে, তাহলে একদিকে বৈষম্য তৈরি হয়, অন্যদিকে অস্থিরতা দেখা দেয়।

মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, সাভারে স্থানান্তরের পরে ট্যানারিগুলোকে যে ধরনের অবকাঠামো ও নীতিসহায়তা দেওয়া দরকার ছিল, সেটি খুব একটা হয়নি।