
পাকিস্তান-আফগান যুদ্ধ: কার সামরিক শক্তি কত
পাকিস্তান-আফগান যুদ্ধ: কার সামরিক শক্তি কত

পাকিস্তান-আফগান যুদ্ধ: কার সামরিক শক্তি কত

কয়েক দশক ধরে স্বাধীন রাষ্ট্রের দাবিতে লড়াই চালিয়ে আসা সংগঠন ‘বেলুচিস্তান লিবারেশন আর্মি’ সাম্প্রতিক হামলার দায় স্বীকার করেছে।

ভেনেজুয়েলার পর লাতিন আমেরিকার অন্যান্য দেশেও হামলার হুমকি ট্রাম্পের।

ব্রিটেনের সামরিক ব্যয় বাড়ানোর ক্রমবর্ধমান চাহিদা কীভাবে মেটানো হবে, তা নিয়ে কয়েক মাস ধরে প্রতিরক্ষা ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের মধ্যে আলোচনা চলছিল।

ইরানের সামরিক ও অর্থনৈতিক শক্তি সীমিত, মিত্রও কম। কিন্তু তাদের ভৌগোলিক অবস্থান এমন যে তারা অন্যদের ওপর খরচের বোঝা চাপিয়ে নিজে লাভ করতে পারে।

ইরান সংকটকে ঘিরে উপসাগরীয় অঞ্চলে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেখা যাচ্ছে। যখন কোনো অঞ্চলে সামরিক শক্তি প্রত্যাশিতভাবে ‘প্রতিরোধক্ষমতা’ তৈরি করতে ব্যর্থ হয়, তখন রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠে তেল।

সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ডিসি সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলামের দেওয়া ভাষণে রাষ্ট্র পরিচালনায় নিরাপত্তা ও উন্নয়নের পারস্পরিক সম্পর্ক এবং সিভিল-মিলিটারি সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্বসহকারে উপস্থাপিত হয়েছে।

চীনের সামরিক শক্তি যত বেড়েছে, বাহিনীর শীর্ষ পর্যায়ে নিজের হাতে বেছে নেওয়া জেনারেলদের ওপর সি চিন পিংয়ের আস্থা ততটাই কমেছে।

পোপ চতুর্দশ লিও ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের নিন্দা করে বলেছেন, সামরিক শক্তি শান্তি আনে না এবং ঈশ্বর যুদ্ধবাজদের প্রার্থনা শোনেন না। ট্রাম্প প্রশাসনের ধর্মের দোহাইকে তিনি প্রত্যাখ্যান করেছেন। শান্তির পথ সংলাপ ও ধৈর্যশীল সহাবস্থান।

ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যুদ্ধ শুধু সামরিক নয়, বিশ্বাস ও শহীদির ধারণার ওপর নির্ভরশীল। বাইরের আঘাত কখনো ইরানের শক্তি বাড়িয়ে দিতে পারে, কারণ এটি তাদের ‘পবিত্র প্রতিরোধ’-এর গল্পকে জাগিয়ে তোলে। এই প্রবন্ধে ব্যাখ্যা করা হয়েছে কীভাবে শিয়া ঐতিহ্য ও জাতীয়তাবোধ ইরানকে টিকিয়ে রাখছে।

২০০৩ সালে ইরাক হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বেশি সামরিক শক্তির উপস্থিতি।

এক দশক পর সেই ডোনাল্ড ট্রাম্পই এখন বিদেশে মার্কিন সামরিক শক্তি প্রয়োগে আগের চেয়ে অনেক বেশি আগ্রহী।