একটি রাজনৈতিক দল বারবার অপ্রত্যাশিত ঘটনা ঘটিয়ে যাচ্ছে: তারেক রহমান
তারেক রহমান বলেন, ‘ভোট সংখ্যা যত বাড়বে, আমরা বিশ্বাস করি সকল ধরনের ষড়যন্ত্র প্রতিহত করা যাবে। যারা এসব ঘটনা ঘটাচ্ছে, তাঁদের প্রতি মানুষের বিরূপ ধারণা হবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।’
তারেক রহমান বলেন, ‘ভোট সংখ্যা যত বাড়বে, আমরা বিশ্বাস করি সকল ধরনের ষড়যন্ত্র প্রতিহত করা যাবে। যারা এসব ঘটনা ঘটাচ্ছে, তাঁদের প্রতি মানুষের বিরূপ ধারণা হবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।’
বগুড়ায় আ.লীগ কার্যালয়ে পতাকা উত্তোলন, অতঃপর উধাও
রাজধানীতে আট বছরের শিশুর ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনা রাজনৈতিক ও সামাজিক চেতনার অভাবকে প্রকাশ করছে বলে মন্তব্য করেন রুমিন ফারহানা।
যে ভাষণটি দেওয়াই হয়নি, সেটিই এ সপ্তাহে অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে আলোচিত রাজনৈতিক ঘটনা।
বাংলাদেশে রাজনৈতিক সহিংসতা নতুন কোনো ঘটনা নয়। কিন্তু এখন যে বিষয় আরও বেশি উদ্বেগের, তা হলো, সহিংসতার পর সেটিকে কীভাবে ব্যাখ্যা করা হচ্ছে। আধুনিক রাজনৈতিক যোগাযোগের গবেষণায় বলা হয়, রাজনৈতিক শক্তিগুলো শুধু ঘটনাকে নিয়ন্ত্রণ করতে চায় না, তারা ঘটনার অর্থও নিয়ন্ত্রণ করতে চায়। অর্থাৎ কে হামলা করল, কেন করল এবং মানুষ সেই ঘটনাকে কীভাবে দেখবে, সেটিও তারা নির্ধারণ করতে চায়। অনেক সময় এ বয়ান তৈরির লড়াই বাস্তব ঘটনার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।
শরীয়তপুর জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র সংগ্রহে বাধা ও হেনস্তার অভিযোগের মধ্যে বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে। এ ঘটনা ঘিরে আইনজীবী ও রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক সমালোচনা চলছে।
প্রতি চার মার্কিন নাগরিকের একজন মনে করেন, গত এপ্রিলে ট্রাম্পের ওপর হত্যাচেষ্টার ঘটনা সাজানো ছিল। নিউজগার্ডের জরিপে রাজনৈতিক বিভাজন স্পষ্ট হয়েছে, ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে এই বিশ্বাস বেশি। অন্যান্য হামলাগুলো নিয়েও অনেকে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন।
বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক হামলাকে ব্যক্তিগত শত্রুতা, প্রতিহিংসা এবং রাজনৈতিক মতভিন্নতাসহ অন্যান্য কারণে সংঘটিত ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল।
ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব গভর্ন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের (বিআইজিডি) সাম্প্রতিক গবেষণায় ৪৩ জন নারী রাজনীতিবিদের সাক্ষাৎকারে উঠে এসেছে নারীদের রাজনৈতিক পথচলার বাস্তব চিত্র। এতে বলা হয়, রাজনৈতিক অঙ্গনে নারীর বিরুদ্ধে সহিংসতা কেবল ব্যক্তিগত ঘটনা নয়—এটি পদ্ধতিগত, বহুমাত্রিক এবং দীর্ঘস্থায়ী।
আজ থেকে ৪৫ বছর আগে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামরিক ইতিহাসে এক হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটে।
গত ২০ মাসে রাউজানে ২২টি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে অন্তত ১৬টি রাজনৈতিক বিরোধকে কেন্দ্র করে। এই সংখ্যাগুলো কেবল পরিসংখ্যান নয়; বরং ট্রমায় কবলিত হওয়া কিছু পরিবারের সদস্যের অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ আর হাহাকার তুলে ধরে। আর মানুষের মধ্যে ক্রমবর্ধমান আতঙ্কের কথাই আমাদের মনে করিয়ে দেয়। সর্বশেষ বিএনপির কর্মী কাউসারুজ্জামানের নির্মম হত্যাকাণ্ড আবারও সেই প্রশ্ন সামনে নিয়ে এসেছে—রাউজান কি ধীরে ধীরে সহিংসতার এক স্থায়ী ভূখণ্ডে পরিণত হচ্ছে?
ভারতের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক-ডিজিটাল পরিসরে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ একটি অদ্ভুত কিন্তু তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা। এটি ভারতীয় জেন-জি প্রজন্মের দীর্ঘদিনের ক্ষোভের বিস্ফোরণ।