রপ্তানি আয়ে সংকট: শীর্ষ পাঁচ খাতেই হ্রাস, মার্চে ১৮% কমেছে রপ্তানি
গত মার্চে দেশের পণ্য রপ্তানি প্রায় ১৮ শতাংশ কমে ৩৪৮ কোটি ডলার হয়েছে। শীর্ষ পাঁচটি খাত সহ অধিকাংশ খাতেই হ্রাস পড়েছে। গত আট মাস ধরে রপ্তানি নেতিবাচক ধারায় রয়েছে।
গত মার্চে দেশের পণ্য রপ্তানি প্রায় ১৮ শতাংশ কমে ৩৪৮ কোটি ডলার হয়েছে। শীর্ষ পাঁচটি খাত সহ অধিকাংশ খাতেই হ্রাস পড়েছে। গত আট মাস ধরে রপ্তানি নেতিবাচক ধারায় রয়েছে।
নগদ সহায়তার সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগী তৈরি পোশাক ও বস্ত্র খাত। দেশি সুতা ব্যবহার করে উৎপাদিত তৈরি পোশাক নতুন বাজারে রপ্তানি করলে সর্বোচ্চ ৫ দশমিক ৯ শতাংশ প্রণোদনা মিলবে।
বিশ্ব বাণিজ্যে অনিশ্চয়তা ও জাহাজ পরিবহন খাতের সংকটের মধ্যেও রপ্তানির সক্ষমতা ধরে রাখতে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যচুক্তির পরামর্শ দিয়েছে এইচএসবিসি।
রপ্তানিতে ধারাবাহিক সাফল্যের পাশাপাশি দেশের চায়ের বাজারে নতুনত্ব ও আধুনিকতা আনায় ভূমিকা রাখছে এসব কোম্পানি।
২০২২ সালে প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তোলেন জাহিদ হোসেন নামের এক উদ্যোক্তা। যেখানে নতুন উদ্যোক্তাদের রপ্তানির প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশিক্ষণের পাশাপাশি নানা সেবা দেওয়া হয়।
চলতি বছরের প্রথমার্ধে ২১৬ কোটি ডলারের পোশাক রপ্তানি কমেছে চীনের। এই সময়ে ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া ও ইন্দোনেশিয়ার রপ্তানি বেড়েছে।
বিদায়ী অর্থবছরে পণ্য রপ্তানি ৪৮ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক স্পর্শ করেছে। যদিও রপ্তানি কমেছে দশমিক ৫৮ শতাংশ।
নির্ধারিত ৪৩টি রপ্তানি পণ্যের ক্ষেত্রে দশমিক ৩০ থেকে ১০ শতাংশ পর্যন্ত হারে নগদ প্রণোদনা প্রদান করা হবে।
গত মাসে তৈরি পোশাক, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, কৃষি প্রক্রিয়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল এবং চামড়াবিহীন জুতা রপ্তানি কমেছে।
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জাতীয় রপ্তানি পদক এবং ২০২৭ সালের সিআইপি নির্বাচনের জন্য অনলাইনে আবেদন আহ্বান করেছে, যা চলবে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত।
সদ্য সমাপ্ত জুলাই মাসে দেশ থেকে ৪৭২ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে, যা গত ১২ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। তবে গত বছরের জুলাইয়ের তুলনায় প্রবৃদ্ধি কিছুটা কমেছে বলে জানিয়েছে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি)।
মূল্যবৃদ্ধির কারণে অর্থের হিসাবে পাট ও পাটপণ্য রপ্তানি গত তিন বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে, তবে পরিমাণের দিক থেকে রপ্তানি বাড়েনি।