‘খাসোগি হত্যায় সৌদি যুবরাজকে ফাঁসাতে পারেন আমিরাতের শাসক মোহাম্মদ বিন জায়েদ’
জামাল খাসোগিকে ২০১৮ সালের ২ অক্টোবর ইস্তাম্বুলে সৌদি কনস্যুলেটের ভেতর হত্যা করা হয়।
জামাল খাসোগিকে ২০১৮ সালের ২ অক্টোবর ইস্তাম্বুলে সৌদি কনস্যুলেটের ভেতর হত্যা করা হয়।
কয়েক বছর আগে অনেক আরব দেশ, বিশেষ করে উপসাগরীয় রাষ্ট্রগুলো হয়তো ইরানে হামলা চালিয়ে সেখানকার শাসন পরিবর্তনে যুক্তরাষ্ট্রের হামলাকে ইতিবাচকভাবে দেখত।
সৌদি আরবের এই সামরিক অভিযানের মাধ্যমে রিয়াদের অবস্থান স্পষ্ট হয়ে যায়, সংযুক্ত আরব আমিরাতের ‘এই খেলা’ আর চলবে না। ইয়েমেন থেকে সুদানসহ বিভিন্ন দেশে বিচ্ছিন্নতাবাদী মিলিশিয়াদের সমর্থন দিয়ে আমিরাত যেভাবে নিজের সামরিক প্রভাব বাড়াচ্ছিল, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান আর তা নীরবে মেনে নিতে রাজি নন।
ফ্লোরিডায় সৌদি-সমর্থিত বিনিয়োগ ফোরামে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানকে কটাক্ষ করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, তিনি ভাবতেও পারেননি আমার কাছে মাথা নত করতে হবে। পরে যুবরাজের প্রশংসা করে তাঁকে ‘চমৎকার মানুষ’ ও ‘যোদ্ধা’ বলেন। ইরানবিরোধী যুদ্ধে এক মাস পূর্ণ হওয়ার সময় এ মন্তব্য করেন ট্রাম্প।
সৌদি আরব, যখন ইয়েমেনে আরও সক্রিয় হয়ে আঞ্চলিক রাজনীতিতে ফিরে আসছে, তখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের তথাকথিত ‘নতুন সৌদিয়ানা’ ধারণায় তুরস্কের অবস্থান কোথায়?
ইরানের সঙ্গে মার্কিন–ইসরায়েলি যুদ্ধের কারণে মধ্যপ্রাচ্যে তৈরি হওয়া এক অস্থির নিরাপত্তাহীনতার মধ্যেই নতুন এই জোটের আত্মপ্রকাশ ঘটল।
মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মুখে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদার করতে আজ জেদ্দায় যৌথ চুক্তিতে সই করছে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান।
ইরান হরমুজ বন্ধ করে দিলে গুরুত্বপূর্ণ এ প্রণালি দিয়ে জাহাজ নিরাপদে পার হতে সহায়তা করতে নতুন অভিযানের ঘোষণা দেয় যুক্তরাষ্ট্র।
জামাল খাসোগি হত্যার ঘটনায় ফ্রান্সের বিচারক তদন্ত করবেন। সৌদি যুবরাজের সম্পৃক্ততার অভিযোগ তদন্তাধীন।
গতকাল মঙ্গলবার তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথগ্রহণ করেন।
সৌদি রাষ্ট্রদূত আবদুল্লাহ জাফর এইচ বিন আবিয়াহ সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান আল সৌদের পাঠানো আমন্ত্রণপত্র প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর করেছেন। একই সঙ্গে গুলশান-বনানী-বারিধারা লেকের পরিবেশ সুরক্ষায় ব্যবস্থা নিতে এবং নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণে পদক্ষেপ জোরদারের বিষয়ে সভায় নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
ওমরাহ শেষে সাফসুতরো হয়ে মক্কার আল-সাফা রাজপ্রাসাদের দরবারকক্ষে এলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। সঙ্গে ছিলেন ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির। এক দিন আগেই আঙ্কারা থেকে পৌঁছেছিলেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান। তাঁদের জন্য অপেক্ষা করছিলেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। তিন নেতা ৭ আগস্ট দুপুরে ‘মক্কা চুক্তি’ স্বাক্ষর করেন।