আজ ৩ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ–ঘাটতি হতে পারে: বিদ্যুৎ বিভাগ
গতকাল বুধবার বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৫ হাজার ৭৬৭ মেগাওয়াট। সরবরাহ ছিল ১৩ হাজার ৬৮১ মেগাওয়াট।
গতকাল বুধবার বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৫ হাজার ৭৬৭ মেগাওয়াট। সরবরাহ ছিল ১৩ হাজার ৬৮১ মেগাওয়াট।
আগামী গ্রীষ্মের আগেই দেশে ন্যূনতম তিন হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা তৈরি হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। এতে আগামী গ্রীষ্মে দেশে...
বিদ্যুৎ সমস্যার জন্য আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের অব্যবস্থাপনা এবং পর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহের অভাবকে দায়ী করেন প্রতিমন্ত্রী।
নবায়নযোগ্য শক্তির প্রসারে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ও প্যারামাউন্ট গ্রুপ পিপিএ চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। ৩.৪ মেগাওয়াটের ওপেক্স সোলার প্রজেক্টে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাদে চার মাসের মধ্যে সোলার প্যানেল স্থাপিত হবে। এতে বিদ্যুৎ খরচ কমবে এবং স্থিতিশীলতা আসবে।
পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে মঙ্গলবার পারমাণবিক জ্বালানি লোডিং সম্পন্ন হয়েছে। আগস্টে জাতীয় গ্রিডে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহের সম্ভাবনা রয়েছে। এটি বাণিজ্যিক উৎপাদনের গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।
দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনে ১৭,২০০ মেগাওয়াটের নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে।
রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদে নির্মিত জলবিদ্যুৎকেন্দ্রের পাঁচটি ইউনিটের চারটিতেই উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। স্বাভাবিক সময়ে ওই বিদ্যুৎকেন্দ্রে ২৪২ মেগাওয়াট উৎপাদন হলেও এখন হচ্ছে মাত্র ৪০ মেগাওয়াট। এ ছাড়া রাঙামাটি জেলাতেও সরবরাহ কমেছে।
নির্মাণাধীন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিট থেকে ২০২৩ সালে ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট এবং পরের বছর দ্বিতীয় ইউনিট থেকে আরও ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের কথা ছিল। কিন্তু প্রকল্পটি নির্ধারিত সময়সূচি থেকে ইতিমধ্যে তিন বছরেরও বেশি পিছিয়ে গেছে। এই বিলম্বের কারণে প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থা রাশিয়ার রোশাটমকে বাংলাদেশকে বর্তমানে প্রতিদিন প্রায় ১০ থেকে ১২ কোটি টাকার অতিরিক্ত সুদ পরিশোধ করতে হচ্ছে।
বিদ্যুৎ খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, শীতের শেষে ফেব্রুয়ারিতেই বিদ্যুতের চাহিদা ১২ হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়েছে। গ্রীষ্মে চাহিদা সাড়ে ১৮ হাজার মেগাওয়াট ছাড়াতে পারে।
পিডিবি ও পিজিসিবি সূত্র বলছে, এর আগে এ মাসে সর্বোচ্চ লোডশেডিং ছিল ১০ আগস্ট। ওই দিন ৩ হাজার ৭৫৭ মেগাওয়াট লোডশেডিং করা হয়েছিল।
জাতীয় গ্রিড থেকে চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ না পাওয়ায় চট্টগ্রামে লোডশেডিং করতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) কর্মকর্তারা। এখন দিনে গড়ে আড়াই থেকে তিন শ মেগাওয়াট পর্যন্ত ঘাটতি রয়েছে। বিদ্যুতের পরিস্থিতি কবে নাগাদ স্বাভাবিক হবে, তা বলতে পারছেন না কর্মকর্তারা।
বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা আছে প্রায় ২৯ হাজার মেগাওয়াট। গ্যাস-সংকটের মধ্যে সক্ষমতার অর্ধেকও উৎপাদন করা যাচ্ছে না।