মস্তিষ্ক তরুণ রাখার ৫ কৌশল
শরীর শক্ত রাখতে ব্যায়াম করার প্রয়োজন, তেমনি মস্তিষ্ক ভালো রাখতে মনকে সক্রিয় রাখা জরুরি।
শরীর শক্ত রাখতে ব্যায়াম করার প্রয়োজন, তেমনি মস্তিষ্ক ভালো রাখতে মনকে সক্রিয় রাখা জরুরি।
আপনি আসলে একসঙ্গে দুটি কাজ করছেন না, বরং আপনার মস্তিষ্ক বিদ্যুৎ–গতিতে এক কাজ থেকে আরেক কাজে শিফট করছে। একে বিজ্ঞানের ভাষায় বলে টাস্ক-সুইচিং।
২২ জুলাই বিশ্ব মস্তিষ্ক দিবস উপলক্ষে স্ট্রোক, ডিমেনশিয়া, পারকিনসনসসহ মস্তিষ্কের প্রধান ৫টি রোগ এবং তা প্রতিরোধের উপায় নিয়ে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ।
আমাদের মস্তিষ্কে অসংখ্য রক্তনালি জালের মতো বিস্তৃত হয়ে রক্ত সরবরাহ করে। অ্যানিউরিজম হলো মস্তিষ্কের এসব রক্তনালির ফোলা বেলুনের মতো অংশ।
যেকোনো বয়সের ব্যক্তির প্রেস সিনড্রোম হতে পারে, তবে কিছু নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে ঝুঁকি বেশি থাকে।
মানুষ মস্তিষ্কের মাত্র ১০ শতাংশ ব্যবহার করে—এই ধারণা চলচ্চিত্রে জনপ্রিয় হলেও বিজ্ঞান বলছে এটি সম্পূর্ণ মিথ। পিইটি ও এফএমআরআই দেখিয়েছে, আমরা প্রতিদিন পুরো মস্তিষ্কই ব্যবহার করি। এই গুজবের উৎস ১৯৩০-৩৬ সালের বই ও গবেষণা।
চল্লিশের পর মস্তিষ্কের স্মৃতি, মনোযোগ ও শেখার ক্ষমতা কমতে পারে। গবেষণায় প্রমাণিত ১২টি অভ্যাস অনুসরণ করে মস্তিষ্ক সুস্থ রাখা যায়। মগজের ব্যায়াম থেকে শুরু করে স্বাস্থ্যকর খাদ্য ও সামাজিক জীবন—সবই এতে সহায়ক।
শিশুর মস্তিষ্কের ওজন দুই বছর বয়সে তার প্রাপ্তবয়স্ক ওজনের ৮০ শতাংশে পৌঁছায়। গবেষণায় দেখা গেছে, সঠিক সময়ে সঠিক খাবার খেলে শেখার ও মনোযোগ ক্ষমতা উন্নত হয়।
বিশ্বকাপের ইতিহাসে কিংবদন্তি খেলোয়াড়দের বিভিন্ন দক্ষতার মিশ্রণে কল্পিত একজন ‘সুপারহিরো’ খেলোয়াড় বানিয়েছে অপ্টা অ্যানালিস্ট।
মানুষের মাথার খুলির ভেতরে নতুন এক অঙ্গের সন্ধান পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা, যা মস্তিষ্কের রোগ প্রতিরোধ ও ক্যানসার চিকিৎসায় নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে।
মানুষের মস্তিষ্ক স্বাভাবিকভাবেই অস্বস্তি এড়াতে, শক্তি সঞ্চয় করতে চায়। তাই কোনো কঠিন, বড় বা অনিশ্চিত কাজের মুখোমুখি হলে মস্তিষ্ক প্রতিরোধ তৈরি করে।
আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞান বলছে, আমাদের মস্তিষ্ক ও অন্ত্রের মধ্যে একটি ঘনিষ্ঠ যোগাযোগব্যবস্থা রয়েছে, যাকে বলা হয় গাট–ব্রেন অ্যাক্সিস।