রাজনৈতিক পরিবেশ স্থিতিশীল থাকলে বিনিয়োগ বাড়বে: পরিবেশমন্ত্রী
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন-বিষয়ক মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু ইফতার অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন।
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন-বিষয়ক মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু ইফতার অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন।
দেশের অর্থনীতিতে দীর্ঘদিন ধরে যে বিনিয়োগে স্থবিরতা চলছে, তা এখন আর অস্বীকার করার সুযোগ নেই।
রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা, ক্ষমতার পটপরিবর্তন, অর্থনৈতিক সংকটসহ নানা কারণে চার-পাঁচ বছর ধরে ব্যবসা–বাণিজ্যে শ্লথগতি আছে। এ ছাড়া দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসাবান্ধব পরিবেশের ঘাটতির সমস্যা বিরাজমান।
বাংলাদেশে ২০২৫ সালে ১ দশমিক ৭৮ বিলিয়ন ডলারের সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) এসেছে, যা আগের বছরের চেয়ে প্রায় ৪৫ শতাংশ বেশি।
বৈশ্বিক বিনিয়োগকারীদের জন্য প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ নিশ্চিত করতে চায় বাংলাদেশ।
প্রতিযোগী দেশগুলোর চেয়ে সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) আনায় পিছিয়ে বাংলাদেশ।
গত এক যুগের বেশি সময়ে রাজনীতি ও সমাজে নানা চ্যালেঞ্জ বিদ্যমান থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশ যে অর্থনৈতিকভাবে উল্লেখযোগ্য উন্নতি অর্জন করেছে, তা অস্বীকার করার সুযোগ নেই।
কক্সবাজারকে আন্তর্জাতিক পর্যটন ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে সমন্বিত মাস্টারপ্ল্যান করছে সরকার। এই লক্ষ্যে উপকূলীয় এলাকার ৫০ ও ৫০০ মিটারের উন্নয়নসংক্রান্ত বিধিনিষেধ পুনর্বিবেচনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও পরিবেশগত প্রভাবকে সমান গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান।
এম মাসরুর রিয়াজ বলেন, ‘বিনিয়োগ পরিবেশ এখন একটি ভাঙা ঘর। এই বাড়ি মেরামত না করে যদি আমরা ভাড়াটে বা বিনিয়োগকারী খুঁজতে যাই, তবে তারা হতাশ হয়ে ফিরে যাবে।
এলডিসি উত্তরণের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাণিজ্য সক্ষমতা ও বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়নে পাঁচ বছর মেয়াদি নতুন কর্মপরিকল্পনা নিচ্ছে সরকার।
আজ শনিবার ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) আয়োজিত ‘সার্বিক স্থানীয় ব্যবসা–বাণিজ্য ও বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়ন’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় ধানমন্ডি–মোহাম্মদপুর এলাকার ব্যবসায়ীরা ব্যবসা পরিচালনার ব্যয় কমানোসহ নানা দাবি তোলেন।