
নিউইয়র্ক আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলার ৩৫ বছর
নিউইয়র্ক আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলা ৩৫ বছরে পা দিয়েছে। ১৯৯২ সালে সাত তরুণের উদ্যোগে ব্রুকলিনের এক স্কুলে ছোট পরিসরে শুরু হয়েছিল এই মেলা।

নিউইয়র্ক আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলা ৩৫ বছরে পা দিয়েছে। ১৯৯২ সালে সাত তরুণের উদ্যোগে ব্রুকলিনের এক স্কুলে ছোট পরিসরে শুরু হয়েছিল এই মেলা।

জার্মানির হামবুর্গে তৃতীয়বারের মতো অনুষ্ঠিত হলো বাংলা বইমেলা ও বাংলা কার্নিভ্যাল।

২০২২ সালের আগে মেলা হতো চার দেয়ালের ভেতরে। মেলাটি বাইরে বেরিয়ে এল ৩০ বছর পেরিয়ে, ২০২২ সালে।

নিউইয়র্কে প্রবাসী বাঙালির অন্যতম বৃহত্তম সাংস্কৃতিক আয়োজন—নিউইয়র্ক আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলা—তার ৩৫তম আসরকে সামনে রেখে নতুন লোগো উন্মোচন করেছে।

স্বাধীনতার মাসের শেষে চট্টগ্রামে ‘স্বাধীনতার বইমেলা’ শুরু হয়েছে, যা সময় থেকে ছিটকে আসা উৎসবের মতো। ফেব্রুয়ারির ঐতিহ্য ভেঙে বৈশাখে এসেছে এই মেলা, আবহাওয়ার চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও প্রকাশকদের আশা জাগিয়েছে। সাংস্কৃতিক ধারাবাহিকতা ও বিপণনের দুর্বলতা নিয়ে ভাবনা জাগিয়েছে এটি।

তথ্যকেন্দ্রের হিসাবে শেষ দিনে মেলায় নতুন বই এসেছে ২৩৬টি। মোট প্রকাশিত নতুন বইয়ের সংখ্যা ২ হাজার ৭। সবচেয়ে বেশি প্রকাশিত হয়েছে কবিতার বই—৭৭১টি।

মেলার সমাপনী দিনে প্রতিবেদন উপস্থাপন করবেন ‘অমর একুশে বইমেলা ২০২৬’–এর সদস্যসচিব মো. সেলিম রেজা।

এবারের বইমেলার ব্যবসায়িক পরিস্থিতি ২০২১ সালের করোনাকালীন মেলার চেয়েও শোচনীয়।

মেলা থেকে বই কিনেছে শিশুরাও। কেউ ভূতের বই, কেউ সায়েন্স ফিকশন, কেউ কিনেছে পশুপাখির গল্পের বই।

অমর একুশে বইমেলা শেষের দিকে। আগামীকাল রোববার শেষ হওয়ার কথা বইমেলা।

মিরপুর মনিপুর স্কুল ও কলেজের ইংরেজির শিক্ষক কবি আয়শা জাহান নুপূর বললেন, ‘লেখক হিসেবে বলব মেলায় এই পরিবেশ প্রকাশকদের জন্য বেশ কঠিন।

পাপেটকে গল্প বলতে দেখে উচ্ছ্বাস আর কৌতূহলে মুখর হয়ে ওঠে শিশুরা।