পৃথিবী থেকে ধীরে ধীরে দূরে সরে যাচ্ছে চাঁদ
প্রতিবছর ৩ দশমিক ৮৩ সেন্টিমিটার করে পৃথিবী থেকে দূরে সরে যাচ্ছে চাঁদ; বিজ্ঞানীদের গবেষণায় উঠে এসেছে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য।
প্রতিবছর ৩ দশমিক ৮৩ সেন্টিমিটার করে পৃথিবী থেকে দূরে সরে যাচ্ছে চাঁদ; বিজ্ঞানীদের গবেষণায় উঠে এসেছে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য।
কোনো কোনো বছর একাধিক মহাদেশজুড়ে শুষ্ক আবহাওয়া বিরাজ করলেও পুরো পৃথিবী কিন্তু কখনোই একসঙ্গে খরাকবলিত হয় না।
প্রায় ৪২ হাজার বছর আগে একটি বিশাল গ্রহাণুর আঘাতে গর্তটি তৈরি হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।
পৃথিবী কেন প্রাণের উপযোগী আর অন্য পাথুরে গ্রহ কেন নয়, তা জানতে কয়েক দশক ধরেই চেষ্টা করছেন বিজ্ঞানীরা।
‘বিশাল শূন্যতার মহাকাশ মাঝেমধ্যেই আমাদের অনেক ভাবনাকে বদলে দেয়।’
রাতের প্রসববেদনায় নতুন এক সূর্য সেদিন উঠেছিল ইউরোপিয়ান ক্লাব ফুটবলের আকাশে। লোকে সাধ করে নাম রাখে, ‘লা রেমোতান্দা’।
বৈজ্ঞানিক উৎকর্ষের পেছনে রয়েছে এই অকুতোভয় নারী উদ্ভাবকদের মেধা।
পৃথিবী কীভাবে প্রাণ ধারণের উপযোগী হয়ে উঠেছে এবং কীভাবে এখানে প্রাণ ধারণের প্রয়োজনীয় উপাদানগুলো এসেছে, তা বিজ্ঞান–দুনিয়ায় এখনো এক অমীমাংসিত রহস্য।
সোভিয়েত বিজ্ঞানীদের তৈরি পৃথিবীর গভীরতম গর্ত 'কোলা সুপারদীপ বোরহোল' এবং ভূ-তাত্ত্বিক রহস্য উন্মোচনের সেই রোমাঞ্চকর অভিযানের কাহিনী।
মানুষ তার নিজের তৈরি প্রযুক্তির ক্ষতি থেকে বাঁচতে যখন প্রকৃতির ওপর কৃত্রিম নিয়ন্ত্রণ চালাতে যায়, তখন জন্ম নেয় নতুন কোনো বিপদ।
পৃথিবীর ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১ হাজার ৪০০ মাইল গভীরে, প্রশান্ত মহাসাগরের তলদেশে থাকা তরল বহিঃকেন্দ্রের গলিত লোহার একটি বিশাল স্রোত বা নদী নিজের গতিপথ পরিবর্তন করে বিজ্ঞানীদের চমকে দিয়েছে।
উষ্ণতা বাড়ছে, সংকুচিত হচ্ছে নিরাপদ কার্বন বাজেট।