সেন্ট মার্টিনে পর্যটন এলাকা সীমিত হবে চার কিলোমিটারে
সেন্ট মার্টিন সংরক্ষণে করা খসড়া মহাপরিকল্পনায় এ দ্বীপের চার কিলোমিটারের মধ্যে পর্যটকদের চলাচল সীমিত করার প্রস্তাব করা হয়েছে।
সেন্ট মার্টিন সংরক্ষণে করা খসড়া মহাপরিকল্পনায় এ দ্বীপের চার কিলোমিটারের মধ্যে পর্যটকদের চলাচল সীমিত করার প্রস্তাব করা হয়েছে।
প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের আধার বাংলাদেশের একমাত্র প্রবালসমৃদ্ধ দ্বীপ সেন্ট মার্টিন। পর্যটকদের কাছে অন্যতম পছন্দের গন্তব্য এ দ্বীপ। একসময় অনিয়ন্ত্রিত ও অবাধ পর্যটনের সুযোগ থাকলেও ২০২৪ সাল থেকে সরকার এখানে পর্যটন নিয়ন্ত্রণ ও সীমিতকরণ করেছে। মূলত পরিবেশ সংকটাপন্ন এলাকা হিসেবে সেন্ট মার্টিন দ্বীপের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের সংরক্ষণ ও দূষণ রোধের জন্য সরকার নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।
সিলেট-তামাবিল আঞ্চলিক মহাসড়কের তামাবিলের সোনাটিলা এলাকায় ‘বিয়াই রেস্টুরেন্ট’ নামের এ দোকানটি বিশেষভাবে জনপ্রিয় হাঁসের মাংসের জন্য।
বর্ষায় অপরূপ সৌন্দর্যে ঢাকাচ্ছে মিরসরাইয়ের খইয়াছড়া ঝরনা। তবে গত ছয় বছরে এখানে একাধিক দুর্ঘটনা ঘটার প্রেক্ষিতে পর্যটকদের বিশেষ সতর্কতা ও বিধিনিষেধ মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন বন বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
২ জুলাই বান্দরবানের থানচির নাফাখুমে ঢাকা থেকে ঘুরতে গিয়েছিলেন চার বন্ধু। তবে টানা বৃষ্টিতে সেখানে তাঁরা আটকে পড়েন। এরপর টানা ৯ দিন তাঁরা সেখানে ছিলেন। দুর্গম এলাকা হওয়ায় বিদ্যুৎ, মুঠোফোনের ইন্টারনেট—কিছুই ছিল না।
চট্টগ্রাম–১৫ আসনের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী বলেন, বিশেষ করে তাঁর লোহাগাড়া, সাতকানিয়া, বাঁশখালী, চন্দনাইশ, পটিয়া, আনোয়ারা, কর্ণফুলী এবং মাননীয় অর্থমন্ত্রীর এলাকার মানুষ পানিতে ভাসছে।
যাত্রা বাতিলের আগে যাত্রীদের অনেকেই ট্রেন থেকে নেমে যেতে শুরু করেন। অনেকেই গন্তব্য পৌঁছাতে বিকল্প হিসেবে সড়কপথে কক্সবাজারের উদ্দেশে রওনা দেন।
তিন পর্যটক ২৫ জুন মাতামুহুরী নদীতে নৌকাভ্রমণে বেরিয়েছিলেন। নদীর তীরে একটি অবকাশযাপনকেন্দ্রে বিশ্রামের জন্য যান তাঁরা।
কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে নিয়মিত সার্ফিং করেন ১৭ নারীসহ অন্তত ৭০ জন। ভোরের আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গে সৈকতের কলাতলী পয়েন্টে সার্ফাররা নেমে যান অনুশীলনে।
বর্ষার আগমনী বৃষ্টিতে প্রাণ ফিরে পেয়েছে চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের পাহাড়ি ঝরনাগুলো। সবুজ পাহাড়, পাথুরে ঝিরিপথ আর ঝরনার স্বচ্ছ স্রোত দেখতে প্রতিদিনই ভিড় করছেন পর্যটকেরা। ঈদের ছুটি শুরুর পর থেকেই এ ভিড় বেড়েছে।
ঈদের ছুটি শুরুর পর লাখো পর্যটকের পদচারণে মুখর কক্সবাজার। কিন্তু সমুদ্রসৈকতের আনন্দের পাশাপাশি তাঁদের সঙ্গী হয়েছে দীর্ঘ লোডশেডিং। শহরের কলাতলী সাবস্টেশনের একটি পাওয়ার ট্রান্সফরমার বিকল হয়ে প্রতিদিন ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকছে না। এ পরিস্থিতিতে অন্তত ৩০ হাজার পর্যটক বুকিং বাতিল করেছেন বলে জানিয়েছে হোটেল মালিকদের সংগঠন।
হাউসবোটটি নির্মাণের পর শুক্রবার প্রথম টাঙ্গুয়ার হাওরে যায়। যাত্রীরা ছিলেন বোটের মালিকপক্ষের পরিবারের লোকজন ও আত্মীয়।