
কানাডার ম্যানিটোবায় বসন্তের স্নিগ্ধতায় বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদ্যাপন
কানাডা-বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন (সিবিএ) ম্যানিটোবা ও এর সহযোগী সংগঠনগুলোর যৌথ আয়োজনে বেলা ২টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত চলে এ আয়োজন।

কানাডা-বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন (সিবিএ) ম্যানিটোবা ও এর সহযোগী সংগঠনগুলোর যৌথ আয়োজনে বেলা ২টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত চলে এ আয়োজন।

নিউজিল্যান্ডের ক্যান্টারবেরিতে বাংলাদেশ কালচারাল সোসাইটির আয়োজনে প্রবাসী বাংলাদেশিরা বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন করেছেন। ক্রাইস্টচার্চের ওয়াইমারি রোড কমিউনিটি সেন্টারে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, জাতীয় সংগীত পরিবেশনা ও সান্ধ্যভোজ অনুষ্ঠিত হয়। শিশু-কিশোরদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠান প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।

ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে মিশিগানের বিভিন্ন স্থানে বাংলা নববর্ষ উদ্যাপিত হয়েছে।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস এবং বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদ্যাপন উপলক্ষে আঙ্কারায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস প্রাঙ্গণে এক প্রাণবন্ত সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়।

নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের সিনেট বাংলা নববর্ষকে স্বীকৃতি দিয়ে ১৪ এপ্রিলকে ‘Bangla New Year Day’ হিসেবে ঘোষণার জন্য একটি ঐতিহাসিক রেজোল্যুশন গ্রহণ করেছে।

নববর্ষের আনন্দ, বাঙালিয়ানা ও রঙের আবেশে প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটিতে উদ্যাপিত হয়েছে ‘বৈশাখ ১৪৩৩’।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে বিভিন্ন ছাত্রসংগঠন ও শিক্ষার্থীরা নববর্ষকে স্বাগত জানান।

বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা বাঙালিদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ।

বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩’ উদ্যাপন করা হয়েছে।

বাংলা নববর্ষ উদ্যাপনের ছবি ফেসবুকে পোস্ট করেছেন বাঁধন, মেহজাবীন চৌধুরী, সাফা কবির ও তাসনিয়া ফারিণ

পয়লা বৈশাখ কেবল একটি ক্যালেন্ডারের তারিখ নয়; এটি বাঙালির আত্মপরিচয় ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার ধারক।

বাংলা নববর্ষের ঐতিহ্য কৃষিকেন্দ্রিক উৎস থেকে উদ্ভূত, যা রাজা শশাঙ্ক ও আকবরের সময় জনপ্রিয় হয়। এটি দলমতধর্ম নির্বিশেষে সর্বজনীন উৎসব। রবীন্দ্রনাথের লেখায় এর চিরনূতন রূপ ফুটে ওঠে।