প্রশাসনে দলীয় নিয়োগ: যোগ্যতা নাকি পরিচয়
বিআইআইএসএস মিলনায়তনে এএমআরএর গোলটেবিল আলোচনায় প্রশাসনে দলীয় নিয়োগ নিয়ে পক্ষে–বিপক্ষে মত তুলে ধরা হয়; যোগ্যতা বনাম দলীয় পরিচয়ের প্রশ্নে বিভিন্ন বক্তার বক্তব্য উঠে আসে।
বিআইআইএসএস মিলনায়তনে এএমআরএর গোলটেবিল আলোচনায় প্রশাসনে দলীয় নিয়োগ নিয়ে পক্ষে–বিপক্ষে মত তুলে ধরা হয়; যোগ্যতা বনাম দলীয় পরিচয়ের প্রশ্নে বিভিন্ন বক্তার বক্তব্য উঠে আসে।
১১টি সরকারি প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেয়েছেন বিএনপি নেতারা। এর আগে কখনোই সরকারি বিভিন্ন সংস্থা, বোর্ড ও করপোরেশনে একসঙ্গে এত রাজনীতিবিদকে নিয়োগ দিতে দেখা যায়নি।
জাতীয় রিকশা–ভ্যান চালক শক্তি নামে নতুন একটি সংগঠনের ঘোষণা দিয়েছে এনসিপি।
১১ সিটি করপোরেশন ও ৪২ জেলা পরিষদে বিএনপি নেতারা প্রশাসক। কেউ সংসদ নির্বাচনে হেরেছেন। কেউ কেউ মনোনয়ন পাননি।
বাজেটে জনপ্রশাসন খাতে বেশি ব্যয় হওয়ায় শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ উন্নয়ন বাজেটে বরাদ্দ বাড়ানো যাচ্ছে না। এই বাস্তবতায় সরকারি সংস্থায় দলীয় পুনর্বাসনচর্চা প্রশ্ন তুলেছে—সরকারি প্রতিষ্ঠান কি রাজনৈতিক দলের নেতাদের পুনর্বাসনকেন্দ্র হতে পারে?
বাংলাদেশে যখন ক্ষমতার পটভূমি পরিবর্তিত হয়েছে, এরপরই পছন্দের ব্যক্তিদের দিয়ে প্রশাসন সাজানোর সংস্কৃতি চর্চিত হয়ে আসছে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ‘দলীয় বিবেচনায়’ আটটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পরিবর্তনের তীব্র নিন্দা করেছে। সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, এটি উচ্চশিক্ষায় উদ্বেগজনক ঘটনা এবং জনগণের আস্থা নষ্ট করছে। বিবৃতিতে প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়ার লঙ্ঘনের অভিযোগ তোলা হয়েছে।
দেশে সামরিক শাসন কিংবা অগণতান্ত্রিক ও কর্তৃত্ববাদী শাসন না দেওয়া এবং জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচার, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ ও দলীয় নিয়োগ বন্ধসহ ১১ দফা দাবি...
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র এমপি রুমিন ফারহানা ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন না দেওয়ায় ধন্যবাদ জানিয়েছেন। রাষ্ট্রপতির ভাষণে স্বাধীনতার অভাব, দলীয় নিয়োগ, নারীর অবদান এবং অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ নিয়ে তিনি কথা বলেন। সংসদে হাজারো মানুষের আত্মত্যাগের কথাও স্মরণ করেছেন।
তিন পার্বত্য জেলা পরিষদ পুনর্গঠন; চেয়ারম্যান–সদস্য পদে বিএনপির দলীয় নেতা–কর্মীদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
বর্তমান বাস্তবতা, সব স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানেরই মেয়াদ পার হয়ে গেছে, কোনো কোনোগুলোতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে প্রশাসকও বসানো হয়েছে এবং নতুন সরকার ইতিমধ্যে সিটি করপোরেশন ও জেলা পরিষদে দলীয় ব্যক্তিদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে। তবে সাংবিধানিক ও আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী সব স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান নির্বাচিত প্রতিনিধিদের কর্তৃত্বে পরিচালনা নিশ্চিত করতে হলে দ্রুততম সময়ের মধ্যে স্থানীয় সরকারের সব স্তরের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়া জরুরি।
এ ছাড়া সারা দেশে প্রায় সাড়ে চার হাজার ইউনিয়ন পরিষদের মধ্যে অন্তত দেড় হাজারে সরকারি কর্মকর্তাদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।