ইরানের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা শিথিল: তেল কেনার প্রস্তুতি ভারতসহ এশিয়ার দেশগুলোর
ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের প্রভাবে সৃষ্ট ‘বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট মেটাতে’ ওয়াশিংটন এ পদক্ষেপ নেওয়ার পর ব্যবসায়ীরা এ তথ্য জানিয়েছেন।
ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের প্রভাবে সৃষ্ট ‘বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট মেটাতে’ ওয়াশিংটন এ পদক্ষেপ নেওয়ার পর ব্যবসায়ীরা এ তথ্য জানিয়েছেন।
মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট জানিয়েছেন ইরানের তেল বিক্রির ওপর থেকে ৬০ দিনের জন্য নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়েছে।
গত বছর জুনে ইসরায়েল–ইরান ১২ দিনের যুদ্ধের মধ্যে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, ‘এখন মধ্যপ্রাচ্যে আমাদের বিশাল সামরিক প্রচেষ্টাকে গুটিয়ে আনার কথা ভাবছি।’
যুক্তরাষ্ট্র ইরাকের তেল উপমন্ত্রী আলি মারিজ আল-বাহাদলি এবং ইরানপন্থী মিলিশিয়া নেতাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। অভিযোগ, তারা মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ভঙ্গ করে ইরানকে তেল চোরাচালানে সাহায্য করছে। এ সময় ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত তীব্র।
রাশিয়ার তেল ক্রয়ের এই অনুমতি আগামী ১১ এপ্রিল পর্যন্ত বহাল থাকবে—এমনটাই জানিয়েছেন মার্কিন বাণিজ্যমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট।
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতায় তেল নিষেধাজ্ঞা শিথিলের পথ খুলছে; একই সঙ্গে ইরানে ৩০০ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ তহবিল গঠনের পরিকল্পনাও সামনে এসেছে।
চীন ইরানি তেল নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিয়েছে। এটি কেবল প্রতিবাদ নয়, বরং সরাসরি আইন করে আমেরিকার চাপ ভাঙার প্রয়াস। এতে দুই মহাশক্তির লড়াই নতুন মাত্রা লাভ করছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সাময়িক নিষেধাজ্ঞা ছাড়ের সুযোগে জাপানে আবার তেল রপ্তানির চেষ্টা করছে ইরান। তবে হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিয়ে রয়ে গেছে অনিশ্চয়তা।
হরমুজ প্রণালিতে তেল ও গ্যাস পরিবাহী জাহাজে হামলার খবরের পর পুঁজিবাজারে সূচকের পতন হয়েছে।
মার্কিন প্রশাসনের জ্ঞাতসারেই ইরানি তেলবাহী ট্যাংকারগুলো ইতিমধ্যে হরমুজ প্রণালি ত্যাগ করছে।
মার্কিন নৌ-অবরোধ ফাঁকি দিতে 'শ্যাডো ফ্লিট' বা গোপন জাহাজের বহর ব্যবহার করে চীনে তেল রপ্তানির প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরান।