টুথপেস্টের মাইক্রোপ্লাস্টিকই কি আমাদের একমাত্র উদ্বেগের বিষয়?
এই মাইক্রোবিড শুধু টুথপেস্টেই নয়, শ্যাম্পু, সেভিং ক্রিম, কসমেটিক পণ্য, ক্রিম, ফেসওয়াশেও ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়।
এই মাইক্রোবিড শুধু টুথপেস্টেই নয়, শ্যাম্পু, সেভিং ক্রিম, কসমেটিক পণ্য, ক্রিম, ফেসওয়াশেও ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়।
টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতির খবরে আতঙ্কিত না হতে অনুরোধ করেছে বিএসটিআই। সংস্থাটি বাজার ও কারখানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করে দেশি-বিদেশি ল্যাবে পুনরায় পরীক্ষার উদ্যোগ নিয়েছে এবং প্রয়োজনীয় প্রমাণ সাপেক্ষে মান হালনাগাদ করার কথা জানিয়েছে।
টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি নিয়ে জনমনে উদ্বেগ সৃষ্টি হলেও আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে বিএসটিআই। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পাশাপাশি টুথপেস্ট না গেলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে এবং বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত তদন্ত ও পুনঃপরীক্ষার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
দেশের বাজারে বিক্রি হওয়া বেশির ভাগ টুথপেস্টেই মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। তাই অনেকের মনেই প্রশ্ন, প্রতিদিন যে টুথপেস্ট দিয়ে দাঁত ব্রাশ করছি, সেটি কি নিরাপদ?
টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন হওয়া এবং সঠিক পদ্ধতিতে দাঁতের যত্ন নেওয়া জরুরি।
দেশের বাজারে প্রচলিত টুথপেস্টে ব্যবহৃত মাইক্রোপ্লাস্টিক নিরাপদ কি না তা নিরূপণে বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করে ১৫ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
ফুটবলারের জন্য আলাদা বুট, ক্রিকেটারের জন্য মাপমতো ব্যাট। অনুশীলন থেকে খাবার, ঘুম থেকে চোট কাটিয়ে ওঠা, পেশাদার ক্রীড়াবিদের প্রায় সবকিছুতেই থাকে বিশেষ পরিকল্পনা। কিন্তু সকালে ঘুম ভাঙার পর তারা যে টুথপেস্টে দাঁত মাজেন, সেটিও কি সাধারণ মানুষের চেয়ে আলাদা? বাংলাদেশের বাজার থেকে সংগ্রহ করা ৩৪টি টুথপে
বাংলাদেশের বাজারে ছোটদের ব্যবহারের জন্য বিক্রি হওয়া ৬টি জনপ্রিয় টুথপেস্ট ব্র্যান্ডের ৪টিতেই মিলল মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি। প্রতি ১০০ গ্রাম টুথপেস্টে ২০টি থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ১৪০টি পর্যন্ত প্লাস্টিকের কণা পাওয়া গেছে। রোববার (২৬ জুলাই) পরিবেশ বিষয়ক গবেষণা সংস্থা ‘এনভা
পরিবেশ ও সামাজিক উন্নয়ন সংস্থা (ইএসডিও)-এর প্রতিবেদনে মেডিপ্লাস টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতির দাবিকে ‘ভিত্তিহীন, বিভ্রান্তিকর ও ভুল ধারণা সম্বলিত’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান এনফোর্স বাংলাদেশ লিমিটেড।
দেশের বাজারে বিক্রি হওয়া ৩৪টি টুথপেস্টের নমুনা পরীক্ষা করে ২৬টিতেই ক্ষতিকর মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। ২০২৫ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত পরিচালিত এ গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে। এর মধ্যে মাইক্রোপ্লাস্টিক থাকা কোন টুথপেস্টের ক্ষতি কেমন, তা জানানো হয়েছে। গবেষণায় প্রতি ১০০ গ্রা
দেশের বাজারে বিক্রি হওয়া ৩৪টি টুথপেস্টের নমুনা পরীক্ষা করে ২৬টিতেই মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি মাইক্রোপ্লাস্টিক শনাক্ত হয়েছে পাঁচটি টুথপেস্টে। এসব টুথপেস্টে প্রতি ১০০ গ্রামে ১২০ থেকে ৩২০টি পর্যন্ত মাইক্রোপ্লাস্টিক কণা পাওয়া গেছে। রোববার (২৬ জুলাই) পরিবেশবিষয়ক
দেশের বাজারে বিক্রি হওয়া প্রচলিত টুথপেস্টের প্রায় চারটির মধ্যে তিনটিতেই মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে। তবে পরীক্ষিত ৩৪টি টুথপেস্টের মধ্যে আটটিতে কোনো মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া যায়নি। পরিবেশ ও সামাজিক উন্নয়ন সংস্থার (ইএসডিও) এক বছরের গবেষণায় বাজার থেকে সংগ্রহ করা ১৯টি ব্র্যান্ডের ৩৪টি