
রুদ্রের মতো
এটি একটি কবিতা, সংবাদ নয়। কবিতায় কবি ‘রুদ্র’ হতে চাওয়ার আকাঙ্ক্ষা ও প্রেমের জটিলতা প্রকাশ করেছেন।

এটি একটি কবিতা, সংবাদ নয়। কবিতায় কবি ‘রুদ্র’ হতে চাওয়ার আকাঙ্ক্ষা ও প্রেমের জটিলতা প্রকাশ করেছেন।

কার আছে কত শাড়ি, কত রঙের চুড়ি, এই নিয়ে ছোটে কত কথার ফুলঝুরি।

প্রবাসী সঞ্জয় সরকার মা দিবসে তাঁর মায়ের প্রতি ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

জাপানের ওসাকায় প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রথমবারের মতো বৃহৎ বৈশাখী মেলায় নববর্ষ উদযাপন করেছে। সেনরি মিনামি পার্কে গান-নাচ, পান্তা-ইলিশ ও বিরিয়ানিতে উৎসব হয়। কানসাই বৈশাখী মেলা কমিটির আয়োজনে শিশু-বৃদ্ধ সবাই অংশ নিয়েছে।

ও চোখ, তুমি তো বলতে পারো অনেক কথা, তবু কেন এতটা নিশ্চুপ নীরবতা!

বাংলাদেশ-জাপান দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে গতকাল বুধবার টোকিওতে বাংলাদেশ দূতাবাসে একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জাপানে বাংলা নববর্ষ উদ্যাপন নিয়ে লেখক তুলে ধরেছেন প্রবাসজীবনের নানা দিক। প্রবাসে থাকতে গিয়ে যেভাবে মাতৃভূমির স্মৃতি ও সংস্কৃতি জীবন্ত হয়ে ওঠে, তা গভীরভাবে ব্যক্ত করেছেন।

জাপান সফরে টোকিওর টেকসই নগরায়ণ, দুর্যোগ সহনশীলতা ও পরিবেশ সচেতনতার শিক্ষা নিয়ে ফিরেছেন বাংলাদেশি প্রতিনিধি। হোমস্টে অভিজ্ঞতা ও ওমোতেনাশি আমাদের সংস্কৃতির সঙ্গে বন্ধন গড়েছে। এই অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের নগর উন্নয়নের জন্য মূল্যবান পাঠ।

উত্তরাঞ্চলের ১৬টি জেলার প্রবাসীদের সমন্বয়ে জাপানে গড়ে উঠেছে ‘উত্তরবঙ্গ কমিউনিটি, জাপান’। ফেব্রুয়ারিতে টোকিওতে সূচনা সভায় পরিচালনা পরিষদ গঠন করা হয়েছে। জাপানে বাংলাদেশি প্রবাসী সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে।

ব্যাপারটা আসলে এতটা গোলমেলে কখনোই ছিল না। দ্বিতীয় বউটাও হুট করে ডিভোর্স দিয়ে চলে যাওয়ার পর অভ্যাসটা প্রচণ্ড রকম বাজে হয়ে উঠছে।

জাপানের ইওয়াতে প্রিফেকচারে চার ঋতুর সৌন্দর্য বর্ণনা করেছেন লেখক সঞ্জয় সরকার। বিশেষ করে বসন্তের সাকুরা ফুলের মোহনীয় দৃশ্য এবং হানামি উৎসবের আবেগঘন মুহূর্ত তুলে ধরেছেন। দূর পরবাসে নতুন জীবনের গল্পও এসেছে।

আমি ভাবছিলাম—এই শহর আমাকে হয়তো অনেক কিছু শেখাবে। শৃঙ্খলা, সময়ের মূল্য, আর স্বপ্নকে বড় করে দেখার সাহস। কিন্তু দিনের শেষে, যত দূরেই যাই না কেন—মনের ভেতর একটা ছোট্ট জায়গায় বাংলাদেশ সব সময়ই রয়ে যায়।