
এবার কোরবানির হাট মাতাচ্ছে ‘পিঙ্ক’ মহিষ
পশুর হাটে প্রবেশমুখের ঠিক পরেই মানুষের জটলা। বয়সী মানুষদের চেয়ে শিশু-কিশোরদেরই ভিড় বেশি। হাটের দুই মহিষকে নিয়ে তাদের যত আগ্রহ। আগ্রহের এই কারণ অন্য কিছু নয়, মহিষ দুটির গায়ের রং। পুরো শরীর গোলাপি।

পশুর হাটে প্রবেশমুখের ঠিক পরেই মানুষের জটলা। বয়সী মানুষদের চেয়ে শিশু-কিশোরদেরই ভিড় বেশি। হাটের দুই মহিষকে নিয়ে তাদের যত আগ্রহ। আগ্রহের এই কারণ অন্য কিছু নয়, মহিষ দুটির গায়ের রং। পুরো শরীর গোলাপি।

গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর কোরবানির পশুর হাটের নিয়ন্ত্রণ এখন বেশির ভাগ ক্ষেত্রে বিএনপি ও তাদের ঘনিষ্ঠজনদের হাতে।

হাটের ডিজিটাল বুথের মাধ্যমে ভিসা কার্ড, মাস্টারকার্ড, বিকাশ ও নগদের মতো মাধ্যমগুলো ব্যবহার করে ক্রেতা-বিক্রেতারা সম্পূর্ণ নিরাপদে লেনদেন করতে পারছেন।

রাজধানীর উত্তরার দিয়াবাড়ি এলাকায় কোরবানির পশুর অস্থায়ী হাট বসানোর ফলে উত্তরা সেন্টার মেট্রোরেল স্টেশনের প্রায় ৩০ লাখ ২৫ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

যখন একজন বৃদ্ধ খামারি এসে বলেন, ‘মাগো, তোমার ওষুধে আমার গরুটা সুস্থ হইছে, দোয়া করি বড় ডাক্তার হও’- তখন সব ক্লান্তি দূর হয়ে যায়। মানুষের এই নিঃস্বার্থ ভালোবাসা ও চোখের পানির মূল্য কোটি টাকা দিয়েও কেনা সম্ভব নয়।’

রাজধানীর তেজগাঁও ইজারাদারের উদ্যোগে কোরবানির পশুর হাট এলাকায় পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।

প্রতি ঈদে সেরা গরু নির্বাচন করা ছিল আমাদের বিশেষ দায়িত্ব। দুপুর গড়িয়ে বিকেলে রাস্তায় সারি সারি গরু যেত, গরুগুলো সাজানো থাকত নানা রঙে। গলায় মালা, পিঠে ফিতা, কপালে ঝলমলে আবরণে মনে হতো গরুগুলো অন্য এক পৃথিবী থেকে এসেছে।

এবার কোরবানি ঈদের আগে নারায়ণগঞ্জের একটি খামারে ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ নামের একটি মহিষ নিয়ে বেশ আলোচনা তৈরি হয়। সাদা-ক্রিম রঙের শরীর, মাথায় সোনালি ঝুঁটির মতো লোম, গোলাপি আভাযুক্ত নাক—সব মিলিয়ে মহিষটি দ্রুত মানুষের কৌতূহলের কেন্দ্রে চলে আসে।

বাজারজুড়ে পর্যাপ্ত চামড়া থাকলেও বিক্রি না হওয়ায় চরম হতাশায় দিন কাটাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।

পাবনার বেড়া পৌরসভা এলাকার বৃশালিখা মহল্লার গরু ব্যবসায়ী উজ্জ্বল হোসেন কোরবানির হাট সামনে রেখে ধারদেনা ও বাকিতে প্রায় ৪০ লাখ টাকার ৩৩টি গরু কিনেছিলেন।

কোরবানির ঈদের রাতজুড়ে মৌলভীবাজারের বালিকান্দি চামড়ার বাজারে চলে শত শত মানুষের ব্যস্ততা, যেখানে লোকসানের শঙ্কার মধ্যেও টিকে আছে প্রায় ২০০ বছরের ঐতিহ্য।

সরকারি প্রতিশ্রুতি সত্ত্বেও, ঈদুল আজহার কোরবানির বর্জ্য অপসারণে ব্যর্থ হয়েছে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন।