জ্যাকসন হাইটস: আমেরিকায় বাংলাদেশ কিংবা নিউইয়র্কের ঢাকা!
জ্যাকসন হাইটসের ‘হাইটস’ শব্দটা না হয় জায়গাটা উঁচু বলে কিংবা ‘উঁচু তলার মানুষের’ আবাসিক এলাকা গড়ার পরিকল্পনা নিয়ে জায়গাটার উন্নয়ন ঘটানো হয়েছে বলে যোগ করা হয়েছে, জ্যাকসন’ এল কোত্থেকে?
জ্যাকসন হাইটসের ‘হাইটস’ শব্দটা না হয় জায়গাটা উঁচু বলে কিংবা ‘উঁচু তলার মানুষের’ আবাসিক এলাকা গড়ার পরিকল্পনা নিয়ে জায়গাটার উন্নয়ন ঘটানো হয়েছে বলে যোগ করা হয়েছে, জ্যাকসন’ এল কোত্থেকে?
দেবুদের বাড়িটা নিউইয়র্ক শহর থেকে এক–দেড় ঘণ্টার দূরত্বে অরেঞ্জ কাউন্টিতে। কাউন্টি হচ্ছে ছোট ছোট প্রশাসনিক ইউনিট। বাংলাদেশে যেমন উপজেলা, পৌরসভা, গ্রাম আছে—অনেকটা সে রকম।
এই মামিই হচ্ছেন সেই মামি, যাঁকে ইতিহাস হিসেবে দেখি। দৃষ্টান্ত হয়ে থাকার মতো, কেবল অভিবাসীই নয়, সবার প্রেরণা পাওয়ার মতো ইতিহাস। ৩০ বছরের বেশি সময় ধরে মার্কিন স্বাস্থ্যসেবায় নিয়োজিত ডা. আসমা আহমেদ একই সঙ্গে হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা ও রোগীদের সেবায় পারদর্শিতা দেখিয়ে বিশেষ সুনাম অর্জন করেছেন।
গল্পে গল্পে শুভ্রা জানাল, পার্কল্যান্ডের এ হাসপাতালেই নাকি যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডি গুলি খেয়ে চিকিৎসাধীন ছিলেন। এ হাসপাতালেই সেবা নিতে নিতে তিনি মারা যান। কী অবাক যোগাযোগ—এখানেই মায়ের সঙ্গে আমার কাটল পাঁচ রাত, ছয় দিন।
আবার আমাকে ছাড়া নানি থাকতেও পারতেন না, প্রতি রাতে নানি আমাকে ডেকে নিতেন নিজের কাছে। এসব চক্রে যারা বড় হয়নি, যারা জন্মেই নিজেদের বেডরুম পেয়েছে, তারা কি আকুল হয়ে আমার মতো ফেলে আসা শিশুকালের জন্য কাঁদে কখনো?
সূর্য এখন প্রখর ভীষণ কাঠফাটা রোদ আগুন ঝরায়, চিলেকোঠার জিনিসগুলো ছাদ–আঙিনায় রোদের অপেক্ষায়।
কানাডায় বিশ্বকাপ ফুটবলের উচ্ছ্বাস। এটি ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বিশ্বকাপ, ৪৮টি দেশ অংশ নিচ্ছে এবং ম্যাচ হবে ১০৪টি।
কথা হচ্ছিল ডালাসের টেক্সাসে অবস্থিত পার্কল্যান্ড হাসপাতালের ৬০২ নম্বর ঘরে বসে, যেখানে মায়ের সঙ্গে আমার ৩ নম্বর দিন পার হচ্ছে।
অনেক মানুষ যখন পুলে ৯/১১ এ হারিয়ে যাওয়া মানুষের নামের সামনে দাঁড়িয়ে, সেই মানুষগুলোর কথা ভাবছেন, তখন আরও অনেক মানুষ স্মৃতিস্তম্ভের চারপাশে হেঁটে বেড়াচ্ছেন। জায়গাটায় অনেকগুলো গাছ সারি সারি লাগানো আছে।
সাধারণত এসব গল্পের কথক হয়ে থাকেন নারী, অর্থাৎ মা-খালা-ফুফু ও দাদি-নানি। মজার ব্যাপার হলো, আমার ক্ষেত্রে গল্প শোনানো মানুষটি ছিলেন আমার বাবা।
বিভিন্ন পরিসংখ্যানে দাবি করা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বাংলাদেশিদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ (প্রায় ৫৪ শতাংশ) কোনো না কোনোভাবে সরকারি সামাজিক সহায়তা বা ওয়েলফেয়ার গ্রহণ করছেন।
রাজার দুর্দশার কথা শুনে বললেন, ওই শালাকে ধইরা আনেন এখন। ওর সারকামসেশন করে দেব আমি। ব্যাটা কিছুই জানে না, ডাক্তারি করে। কুকুরটারে মাইরা ফালাইছে, ওর তো টিউমার হইছে।