ওপেক থেকে বেরিয়ে গেল আমিরাত, কী প্রভাব
ওপেক থেকে বেরিয়ে গেল আমিরাত, কী প্রভাব
ওপেক থেকে বেরিয়ে গেল আমিরাত, কী প্রভাব
বর্তমান পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বেশি যারা লাভবান হচ্ছে, তাদের মধ্যে আছে যুক্তরাষ্ট্রের তেল ও গ্যাস উৎপাদকেরা; তারা যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ‘অস্বাভাবিক মুনাফা’ করেছে।
বাস্তবে ওপেকের কার্যক্রম অনেকটাই নির্ভর করে উৎপাদন কোটার ওপর। সদস্যদেশগুলো নিয়মিত বৈঠকে বসে ঠিক করে, কে কত তেল উৎপাদন করবে।
আমিরাত এমন সময় এই পদক্ষেপ নিল, যখন ইরান যুদ্ধ বিশ্বব্যাপী জ্বালানিসংকট তৈরি করেছে।
বৈশ্বিক তেলবাজারে ওপেকের প্রভাব কমেছে। ১৯৭০-এর দশকে আন্তর্জাতিক তেল–বাণিজ্যের প্রায় ৮৫ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করত তারা; এখন যা নেমে এসেছে প্রায় ৫০ শতাংশে।
ইরান–যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ ও হরমুজ প্রণালি সংকটের মধ্যেও তেলের দাম তুলনামূলকভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখার ক্ষেত্রে চীনের ভূমিকা নিয়ে বিশ্লেষণ। তেল আমদানি কমানো, মজুত থেকে ছাড়, রপ্তানি সীমিত করা ও অভ্যন্তরীণ চাহিদা নিয়ন্ত্রণ—এসব কৌশল বাজারে নতুন সমীকরণ তৈরি করেছে বলে বলা হয়েছে।
ইরান যুদ্ধের পর হরমুজ প্রণালি চালু হওয়ায় উৎপাদন কোটা নিয়ে ওপেকে নতুন করে দ্বন্দ্ব দেখা দিয়েছে। এর প্রভাব পড়তে পারে জোটের ঐক্য, তেলের দামের গতিপথ এবং ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার ওপর।
সংযুক্ত আবর আমিরাতের ওপেক ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময়টাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। হরমুজ প্রণালি বন্ধ, ইরানের বন্দরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ এবং যুদ্ধপরিস্থিতির কোনো সমাধান না থাকায় উপসাগরের সব তেল উৎপাদকই এখন চাপে আছে।
আগামী মাসেই তেল রপ্তানিকারক দেশগুলোর জোট ওপেক থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত।
জ্বালানি তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোর সংগঠন ওপেক থেকে আগামী মাসে সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) বেরিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত সৌদি আরবের জন্য একটি সতর্কবার্তা।
ওপেক প্লাস আগস্ট থেকে উৎপাদন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সেই সঙ্গে হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল রপ্তানি স্বাভাবিক হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম কিছুটা কমেছে।
সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে দ্বন্দ্ব আদর্শ ও মধ্যপ্রাচ্যকে কেন্দ্র করে তীব্রতর হয়েছে।