এনজো ফার্নান্দেজের সিটি-অভিষেক তাহলে কালই
ম্যানচেস্টার সিটিতে আসার আগে চলতি মৌসুমে চেলসির হয়ে মাত্র ২৫ মিনিট খেলার সুযোগ পেয়েছিলেন এনজো।
ম্যানচেস্টার সিটিতে আসার আগে চলতি মৌসুমে চেলসির হয়ে মাত্র ২৫ মিনিট খেলার সুযোগ পেয়েছিলেন এনজো।
ইউরোপে গ্রীষ্মকালীন দলবদলের মৌসুম শেষ হয়েছে গতকাল রাতে। জেনে নিন এবারের দলবদলে সবচেয়ে ব্যয়বহুল খেলোয়াড় কে। সবচেয়ে বেশি খরচ করেছে কোন ক্লাব।
আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী মিডফিল্ডার এনজো ফার্নান্দেজ ১২৫ মিলিয়ন পাউন্ডের রেকর্ড দামে চেলসি থেকে ম্যানচেস্টার সিটিতে যোগ দিয়েছেন। পাঁচ বছরের চুক্তিতে ২০৩১ সালের জুন পর্যন্ত ক্লাবটির সদস্য থাকবেন তিনি।
চেলসির আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডার এনজো ফার্নান্দেজকে রেকর্ড ১২৫ মিলিয়ন পাউন্ডে দলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করেছে ম্যানচেস্টার সিটি। গ্রীষ্মকালীন দলবদলের শেষ দিনে শুধু মেডিক্যাল পরীক্ষা বাকি।
লিওনেল মেসির সঙ্গে একদিন আর্জেন্টিনার হয়ে খেলতে পারবেন কি না, সেটি জানতে ছোটবেলায় নিজের বয়সের সঙ্গে মেসির বয়স মিলিয়ে হিসাব করতেন আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডার এনজো ফার্নান্দেজ। তার সেই স্বপ্ন শুধু পূরণই...
এনজো আর চেলসিতে থাকতে চাইছেন না, আলভারেজও আতলেতিকো মাদ্রিদ ছাড়তে মরিয়া। দুজনেরই ক্লাবের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয়েছে।
বিশ্বকাপ শেষে ছুটি কাটিয়ে বিশ্বকাপে লাল কার্ড পাওয়া আর্জেন্টিনা মিডফিল্ডার এনজো ফার্নান্দেজের ফেরার কথা ইংলিশ ক্লাব চেলসিতে। কিন্তু ছুটি কাটিয়ে তিনি সতেজ মন না সঙ্গে করে তিনি নিয়ে যাচ্ছেন ফাইনাল হারের হতাশা, লাল কার্ডের অস্বস্তি এবং নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে বড় একটি প্রশ্ন। তবে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন চে
বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে আর্জেন্টিনার ড্রেসিংরুমের একটি ভিডিও ঘিরে তৈরি হয়েছে রহস্য। সেখানে আবেগাপ্লুত অবস্থায় দেখা গেছে এনজো ফার্নান্দেজকে। সতীর্থদের শান্ত করার চেষ্টা করছিলেন অধিনায়ক লিওনেল মেসি। একপর্যায়ে সবাইকে সবকিছু ভুলে শুধু ফুটবলে মনোযোগ দিতে বলেন তিনি। স্পেনের কাছে ফাইনালে হারের কয়েক ঘণ্
বিশ্বকাপ ফাইনালে এখন পর্যন্ত মোট ছয়জন খেলোয়াড় লাল কার্ড দেখেছেন, যার মধ্যে তিনজনেই আর্জেন্টিনার। জিদান থেকে এনজোর লাল কার্ডের ইতিহাস নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদন।
আর্জেন্টিনার তারকা মিডফিল্ডার এনজো ফার্নান্দেজের মাঠের পারফরম্যান্স এবং ভ্যালেন্তিনা সারভান্তেসের সঙ্গে তাঁর নাটকীয় ব্যক্তিগত সম্পর্কের গল্প।
দূরপাল্লার মিসাইল ও ‘টোপো গিগিও’। এনজো ফার্নান্দেজ একের ভেতরে এই দুই। তবে আরও আছে। স্পেনের জন্য যার সবকিছুই ভয়ের কারণ।
১৯৫৮-এর পেলে, ২০০৬-এর লিওনেল মেসি কিংবা সর্বশেষ বিশ্বকাপে এনজো ফার্নান্দেজ—বিশ্বকাপের ইতিহাস তরুণদের রাজকীয় উত্থানের গল্পেও রঙিন। এবারের বিশ্বকাপে সেই উত্থানের গল্প লিখবেন কে বা কারা? দেখুন তো নামগুলো রোমাঞ্চ জাগায় কি না