ইসলামি দর্শন কি গ্রিক দর্শনের অনুবাদ?
ইসলামি দর্শনকে গ্রিক চিন্তার অনুবাদ হিসেবে দেখানোর প্রবণতার বিপরীতে ইসলামি ঐতিহ্যে স্বাধীন বুদ্ধিচর্চা ও যুক্তিভিত্তিক বিচারপ্রক্রিয়ার বিকাশের কথা তুলে ধরেছে প্রাসঙ্গিক আলোচনাগুলো।
ইসলামি দর্শনকে গ্রিক চিন্তার অনুবাদ হিসেবে দেখানোর প্রবণতার বিপরীতে ইসলামি ঐতিহ্যে স্বাধীন বুদ্ধিচর্চা ও যুক্তিভিত্তিক বিচারপ্রক্রিয়ার বিকাশের কথা তুলে ধরেছে প্রাসঙ্গিক আলোচনাগুলো।
বই পোড়ানোর অধিকাংশ ঘটনাই ঘটেছে স্বৈরাচারী শাসকগোষ্ঠী এবং ক্ষমতার রাজনীতির প্রত্যক্ষ মদদে। যেকোনো স্বৈরাচারী ব্যবস্থার অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্যই হলো মুক্তচিন্তাকে ভয় পাওয়া।
তারিখে বুখারার রচয়িতা আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আহমাদ আল-বুখারি (৩৩৭-৪১২ হি./৯৪৮-১০২৮ খ্রি.) ‘গুনজার’ নামেই বেশি পরিচিত। মূল গ্রন্থটির প্রাচীন পাণ্ডুলিপি এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি; তবে পরবর্তী আলেমদের উদ্ধৃতিতে বইটির গুরুত্ব ও বিন্যাসের নানা দিক ধরা পড়ে।
ইমাম ইবনে রজব তাঁর কিতাবটি শেষ করেছেন তওবার আলোচনার মাধ্যমে। তিনি একে অভিহিত করেছেন ‘জীবনের সব সময়ের আমল’ হিসেবে। মানুষ তওবার মাধ্যমে আমলনামা পরিচ্ছন্ন করে।
বইটিতে বয়স ধরে ধরে সাজানোর ব্যাপারটাও চমৎকার। পাঠক নিজের বর্তমান বয়সে দাঁড়িয়ে দেখতে পারেন, ঠিক এই বয়সে নবীজি কী ধরনের অবস্থার মুখোমুখি হয়েছিলেন।
ইতিহাসের সাপেক্ষে পড়লে একটি স্বাভাবিক প্রশ্ন ওঠে: মীর মশাররফ হোসেন কি ইতিহাস লিখেছিলেন, নাকি ইতিহাসের পটভূমিতে দাঁড়িয়ে একটি সাহিত্যিক কল্পনা গড়ে তুলেছিলেন?
ওসমানিয়া শাসকরা মূলত সুলতান হিসেবে পরিচিত ছিলেন। যদিও পরবর্তীকালে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে মুসলমানরা অনেকেই তাঁদেরকে খলিফা ও ওসমানিয়া সাম্রাজ্যকে ওসমানিয়া খিলাফত হিসেবে অভিহিত করেছেন।
কাতারের আওকাফ মন্ত্রণালয় থেকে গ্রন্থটি প্রকাশিত হয়েছে, যা ইতোমধ্যে হয়ে উঠেছে সিরাত সাহিত্যের অনিবার্য পাঠ। বিশুদ্ধ বর্ণনার বাইরে এতে কিছুই স্থান দেওয়া হয় নি।
ইউরোপীয় মানসে মুসলমানদের প্রায়ই ‘আগন্তুক’ বা ‘বহিরাগত’ হিসেবে দেখা হয়। সাংবাদিক ও ভ্রমণলেখক তারিক হুসাইনের নতুন বই এই ধারণাকে চ্যালেঞ্জের মুখে দাঁড় করিয়েছেন।
জুওয়াইনি এমন এক রাজনৈতিক দর্শনের অবতারণা করলেন, যা ভবিষ্যতের সম্ভাব্য বিপর্যয় বা ‘রাষ্ট্রহীন অবস্থা’ কল্পনা করে তার আইনি কাঠামো তৈরি করে রাখে।
বইটি প্রকাশের পর থেকে ইংরেজিভাষী মুসলিম–মুসলিম পাঠকদের মধ্যে ব্যাপক আলোড়ন তৈরি হয়। বইটি দেখলে জীবনীগ্রন্থ মনে হয় না, বরং যেন একটি সুপরিকল্পিত ‘স্টাডি গাইড’।
ইসলামের ইতিহাসের আলোচনাতেও রাশিয়ার ও সেখানকার মুসলমানদের প্রসঙ্গ সেভাবে স্থান পায় না। অথচ রুশ দেশ থেকে হজ সফরের কাহিনি কম চিত্তাকর্ষক নয়।