ইরান চুক্তি: ইসরায়েলকে যুক্তরাষ্ট্রের কড়া হুঁশিয়ারি
ইরান চুক্তি: ইসরায়েলকে যুক্তরাষ্ট্রের কড়া হুঁশিয়ারি
ইরান চুক্তি: ইসরায়েলকে যুক্তরাষ্ট্রের কড়া হুঁশিয়ারি
১৭ জুন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যে অস্থায়ী কাঠামোগত সমঝোতা ঘোষণা করা হয়েছে, তা কেবল স্থবির হয়ে থাকা পারমাণবিক আলোচনাকে পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টা নয়।
ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক আলোচনার প্রেক্ষাপটে ডোনাল্ড ট্রাম্পের কৌশলগত ব্যর্থতা এবং সাম্রাজ্যবাদী কূটনীতির ব্যবচ্ছেদ করেছেন জুনাইদ এস আহমদ।
ইরানের সঙ্গে ২০১৫ সালের পরমাণু চুক্তির পক্ষে সাফাই দিয়েছেন বারাক ওবামা। তিনি বলেছেন, চুক্তির ফলে কোনো যুদ্ধ ছাড়াই ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের ৯৭ শতাংশ সরানো সম্ভব হয়েছিল। সিবিএস-এর সাক্ষাৎকারে এই মতামত জানিয়েছেন তিনি।
হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দিতে ট্রাম্প প্রশাসনকে তাদের বৃহত্তর লক্ষ্যগুলো থেকে সরে আসতে হয়েছে
দুই দেশ চুক্তির ‘দ্বিতীয় ধাপের’ দিকে এগোচ্ছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
স্থায়ী চুক্তি আদৌ হবে কি না, তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে। ইরান ইতিমধ্যেই দাবি করেছে, তাদের প্রায় ২৪ বিলিয়ন ডলার অবিলম্বে ফেরত দিতে হবে।
সমঝোতা স্মারকে সই করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান।
‘মানুষ অনেক মৃত্যু সহ্য করতে পারে’—ফ্র্যাঙ্ক ম্যাককোর্ট তাঁর স্মৃতিকথায় এ কথা লিখেছিলেন।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সম্পর্কের বরফ গলার এ পরিস্থিতিতে পাকিস্তান বাণিজ্য, জ্বালানিসুবিধা ও আঞ্চলিকভাবে নিজের গুরুত্ব নতুন করে ফিরে পাওয়ার মতো একটি কৌশলগত সুযোগ হিসেবে দেখছে।
বৃহস্পতিবার জেনেভায় তৃতীয় দফা আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়
যুক্তরাষ্ট্র–ইরানের মধ্যে আজ রোববার প্রাথমিক চুক্তি সই হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছিল।