সঞ্চয় বাড়াতে মাসের শুরুতে মেনে চলুন ৭টি কৌশল
বেতন পাওয়ার পর সঠিক পরিকল্পনা ও সাতটি সহজ কৌশলের মাধ্যমে কীভাবে অপ্রয়োজনীয় খরচ কমিয়ে সঞ্চয় বাড়ানো যায়, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা।
বেতন পাওয়ার পর সঠিক পরিকল্পনা ও সাতটি সহজ কৌশলের মাধ্যমে কীভাবে অপ্রয়োজনীয় খরচ কমিয়ে সঞ্চয় বাড়ানো যায়, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা।
মধ্যপ্রাচ্য সংকট ও অভ্যন্তরীণ চাপ মোকাবিলায় লেনদেন ভারসাম্য রক্ষায় ২ বিলিয়ন ডলারের বিদেশি ঋণ নেওয়ার পরিকল্পনা করছে বাংলাদেশ ব্যাংক। গভর্নর মোস্তাকুর রহমান সাংবাদিকদের সঙ্গে সভায় এ কথা জানান। বিষয়টি এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ায় পৌঁছানোর পর শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা, মোবাইল-ইন্টারনেট সংযোগ, গণপরিবহন জানা, ক্লাস প্রস্তুতি, আর্থিক পরিকল্পনা, স্বাস্থ্যসেবার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।
যুক্তরাজ্যে পড়াশোনায় শিক্ষার্থীর জীবনযাত্রার খরচ নির্ভর করে অবস্থান, বাসস্থান ও ব্যক্তিগত জীবনযাপনের ওপর। তবু ব্যয় সম্পর্কে ধারণা থাকলে আর্থিক পরিকল্পনা সাজানো যায়।
রেমিট্যান্সের প্রবাহ স্বাভাবিক থাকলেও প্রস্তুতি নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। আয় কমে গেলে তখন হঠাৎ সিদ্ধান্ত না নিয়ে আগেভাগে পরিকল্পনা থাকলে পরিবার আর্থিক ধাক্কা সামাল দিতে পারে।
ক্রীড়া মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে কয়েক হাজার ক্রীড়াশিক্ষক নিয়োগের মাধ্যমে খেলোয়াড়দের আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
আর্থিক দিক থেকেও কিছুটা স্বস্তির সময়। পুরোনো ঋণ, দেনা বা আর্থিক চাপ ধীরে ধীরে কমানোর সুযোগ পাবেন। সঠিক পরিকল্পনা করলে অর্থনৈতিক অবস্থায় স্থিরতা আসবে।
আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য ভাষাগত যোগ্যতা, আর্থিক সক্ষমতা ও অভিবাসন নিয়ম আরও কঠোর করার পরিকল্পনা করছে ফিনল্যান্ড।
প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর জানান, আর্থিক চাপের মধ্যেও ৪১ লাখ পরিবারের জন্য ১৪ হাজার কোটি টাকার ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি চালু করা হয়েছে।
লিভার ফেইলিওরে লাইফ সাপোর্টে কনটেন্ট ক্রিয়েটর কারিনা কায়সার। বাবা কায়সার হামিদ আর্থিক সংকটে সরকার ও সবার সহযোগিতা কামনা করেছেন। পরিবার ভারত বা সিঙ্গাপুরে চিকিৎসার পরিকল্পনা করছে।
তারা বিদেশে সাফল্যের গল্প শোনায়, আত্মীয়স্বজনের আর্থিক উন্নতির উদাহরণ তুলে ধরে, দ্রুত আয় ও উজ্জ্বল ভবিষ্যতের প্রতিশ্রুতি দেয়। বাস্তবে তাদের পরিকল্পনা থাকে সম্পূর্ণ ভিন্ন।
২০৩৫ সালের মধ্যে রাজধানীতে যানবাহনের গড় গতি ঘণ্টায় চার কিলোমিটারে নেমে আসতে পারে এবং যানজটের প্রভাবে প্রতিবছর প্রায় ৫০ লাখ কর্মঘণ্টা নষ্টসহ বড় আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কার কথা জানিয়েছে বিআইপি।