
লেবাননে ইসরায়েলি আগ্রাসন বন্ধ না হওয়ায়-ই কি আলোচনা স্থগিত করেছে ইরান
আলোচনা স্থগিত হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার যুদ্ধবিরতি চুক্তি ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

আলোচনা স্থগিত হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার যুদ্ধবিরতি চুক্তি ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

বিমানঘাঁটিটির অবস্থান কোথায়, তা উল্লেখ করেনি আইআরজিসি।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরানের বিরুদ্ধে চালানো সামরিক অভিযান ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নিয়ে বিতর্ক যেন থামছেই না।

করপোরেট আগ্রাসন, ভ্যাটের চাপ ও প্রশাসনিক জটিলতায় প্রান্তিক রেস্তোরাঁ ব্যবসায়ীরা সংকটে—ছোট উদ্যোক্তা সুরক্ষায় নীতিমালা ও বিশেষ তহবিল দাবি মালিক সমিতির।

ভারত পানি আগ্রাসনের মাধ্যমে বাংলাদেশকে শায়েস্তা করতে চায়, ফারাক্কা বাঁধ তার উদাহরণ।

সৌদি আরব ইরানসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর জন্য আগ্রাসনবিরোধী চুক্তির প্রস্তাব দিয়েছে, যা ১৯৭৫-এর হেলসিংকি অ্যাকর্ডসের আদলে তৈরি। ইউরোপীয় দেশগুলোর সমর্থন পেলেও যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের অবস্থান অস্পষ্ট। উপসাগরীয় অঞ্চলে বিভক্ততা ও স্থবির শান্তি আলোচনার মধ্যে এই উদ্যোগ এসেছে।

ট্রাম্প ইরানের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবকে ‘আবর্জনা’ বলে প্রত্যাখ্যান করায় তেহরানের শীর্ষ কর্মকর্তারা এর গুরুত্ব দেননি। ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাগের গালিবাফ যেকোনো আগ্রাসনের দাঁতভাঙা জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় শুরু যুদ্ধবিরতি এখনো স্থায়ী হয়নি।

নেতানিয়াহুর চেঙ্গিস খানের মতো আগ্রাসী নীতি ইসরায়েলের রাজনীতিতে প্রতিফলিত হচ্ছে, যা জেরুজালেমের পবিত্র স্থানে ক্যাথলিক প্যাট্রিয়ার্ককে আটকানো থেকে গাজার ধ্বংস পর্যন্ত বিস্তৃত। যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনে এই দম্ভ শেষ পর্যন্ত নৈতিক পরাজয়ই নিয়ে আসবে বলে মত প্রকাশ করেছেন লেখক। ঐতিহাসিক তুলনা করে তাঁরা সতর্ক করেছেন এই পথের পরিণতি।

যুদ্ধের এক মাস পরও ইরান পাল্টা হামলা চালিয়ে যাচ্ছে এবং আগ্রাসনকারীদের শাস্তির হুঁশিয়ারি দিয়েছে। হরমুজ প্রণালিতে পূর্ণ সার্বভৌমত্ব দাবি করেছে তেহরান। পাকিস্তানসহ মুসলিম দেশগুলো কূটনৈতিক উদ্যোগ নিচ্ছে যুদ্ধ বন্ধে।

ইরানের ওপর ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধে মাত্র তিন সপ্তাহে ১ হাজার ৫০০-এর বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন।

ইরানে হামলার প্রতিবাদে লন্ডনে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের সামনে বিক্ষোভ করেছেন হাজারো মানুষ।

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের আগ্রাসনের প্রথম ১০০ ঘণ্টাতেই ওয়াশিংটনের আনুমানিক খরচ হয়েছে ৩৭০ কোটি মার্কিন ডলার।