দেশের বেসরকারি স্কুল ও কলেজগুলোতে কর্মরত আরও ৩৭৬ জন শিক্ষক ও কর্মচারীকে এমপিওভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এর পাশাপাশি ১ হাজার ৫৯৪ জন শিক্ষক বিএড স্কেল এবং ৫ হাজার ৪৭৪ জন শিক্ষক উচ্চতর গ্রেড বা টাইম স্কেল পাবেন।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) এমপিও কমিটির এক সভায় এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলো গ্রহণ করা হয়।
অঞ্চলভিত্তিক এমপিও প্রাপ্তির বিস্তারিত তথ্যে দেখা গেছে, সবচেয়ে বেশি নতুন এমপিও পেয়েছেন রাজশাহীর শিক্ষকরা। সেখানে স্কুল পর্যায়ে ৭৫ জন এবং কলেজ পর্যায়ে ৩৪ জন এমপিওভুক্ত হয়েছেন। এছাড়া রাজশাহীর ৩৩৩ জন শিক্ষক বিএড স্কেল পেয়েছেন। উচ্চতর গ্রেড বা টাইম স্কেল পেয়েছেন স্কুলের ৮৪৮ জন এবং কলেজের ৭৪ জন শিক্ষক।
ঢাকা অঞ্চলের কথা উল্লেখ করে মাউশি জানিয়েছে, এই অঞ্চলে স্কুল পর্যায়ে ৪০ জন ও কলেজ পর্যায়ে ২৯ জন নতুন এমপিও পেয়েছেন। বিএড স্কেল পেয়েছেন ২৫৫ জন। পাশাপাশি উচ্চতর গ্রেড বা টাইম স্কেল পেয়েছেন স্কুলের ৪৪৩ জন ও কলেজের ২০ জন শিক্ষক।
রংপুর অঞ্চলের হিসাব অনুযায়ী, নতুন এমপিওভুক্ত হয়েছেন স্কুলের ৭৭ জন ও কলেজের ১০ জন। বিএড স্কেল পেয়েছেন ২৬৬ জন। উচ্চতর গ্রেড বা টাইম স্কেল পেয়েছেন স্কুলের ৬৭২ জন এবং কলেজের ৩২ জন শিক্ষক।
খুলনা অঞ্চলের স্কুল ও কলেজ পর্যায়ে ১৪ জন করে মোট ২৮ জন নতুন এমপিওভুক্ত হয়েছেন। বিএড স্কেল পেয়েছেন ১৯৫ জন। উচ্চতর গ্রেড বা টাইম স্কেল পেয়েছেন স্কুলের ১ হাজার ২৩৩ জন এবং কলেজের ৪২ জন শিক্ষক।
অন্যান্য অঞ্চলের মধ্যে ময়মনসিংহে স্কুলের ৩৩ জন ও কলেজের দুজন, কুমিল্লায় স্কুলের আটজন ও কলেজের দুজন, চট্টগ্রামে স্কুলের পাঁচজন ও কলেজের তিনজন এবং সিলেটে স্কুলের তিনজন ও কলেজের দুজন নতুন এমপিওভুক্ত হয়েছেন।
বরিশাল অঞ্চলের ক্ষেত্রে দেখা গেছে, নতুন এমপিও পেয়েছেন স্কুলের ১৭ জন ও কলেজের পাঁচজন। বিএড স্কেল পেয়েছেন ৮৪ জন। উচ্চতর গ্রেড বা টাইম স্কেল পেয়েছেন স্কুলের ৫৯০ জন ও কলেজের ৫৫ জন শিক্ষক।
এদিকে, এমপিও সংক্রান্ত আরও ৩ হাজার ১৮৭টি আবেদন বর্তমানে নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে। মাউশির তথ্যমতে, এর মধ্যে স্কুল পর্যায়ের আবেদন ২ হাজার ৪৯৩টি এবং কলেজ পর্যায়ের আবেদন ৬৯৪টি।