হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল চালু হলে টার্মিনাল এক ও দুই-এ আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন বিমানমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। তিনি বলেছেন, দশ বছরের মাঝে নতুন বিমানবন্দর বানানোর পরিকল্পনা নাই সরকারের। ১০০ কিলোমিটারের মধ্যে নতুন বিমানবন্দর করার প্রয়োজন নেই। তাই জাপানের দেওয়া শর্তে আপত্তি জানানো হয়নি।
বুধবার (৪ অক্টোবর) সন্ধ্যায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সার্বিক পরিস্থিতি পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা জানান।
বিমানমন্ত্রী বলেন, ১০০ কিলোমিটারের মধ্যে নতুন বিমানবন্দর করার প্রয়োজন নেই। এয়ারপোর্ট তৈরি করতেও তো ১০/১২ বছর সময় লাগে। তাই সরকার শর্ত মেনে নিয়েছে।
তিনি বলেন, থার্ড টার্মিনাল চালুর পর টার্মিনাল ১ ও ২ থেকে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট না চললেও আমাদের অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট এখানে নিয়ে আসবো। কার্গো ফ্লাইট আছে, চার্টাড ফ্লাইট, ভিভিআইপি ফ্লাইটও আছে। পাশাপাশি আমরা বাজেট এয়ারলাইন্স করার কথাও ভাবছি, সেগুলোও এখানে আসবে। তাই টার্মিনাল ১ ও ২ বন্ধ হলেও সমস্যা নেই।
প্রধানমন্ত্রীকে বহন করা বিমানের ত্রুটি নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে বিমানমন্ত্রী বলেন, ভিভিআইপি ফ্লাইটে সবার নজর বেশি। প্রধানমন্ত্রীর ফ্লাইটে সামান্য ত্রুটি ছিল এবং এটা হতে পারে। ঢাকা থেকে সবকিছু ঠিক ছিল কিন্তু জাপান থেকে ফেরার পর ফ্লাপে সমস্যা দেখা দেয়। আমরা অতিরিক্ত পাইলট ও ইঞ্জিনিয়ার নিয়ে গিয়েছিলাম। সবকিছু মেনেই গিয়েছি আমরা। বিমানটি ত্রুটি সারাতে যথেষ্ট সময় লাগে, তারপরও আমরা তিনবার ট্রায়াল দিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে বিমানে নিয়েছি। প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার যে শঙ্কা করা হচ্ছে তেমন কিছুই ছিল না।
তিনি বলেন, তদন্ত রিপোর্ট আমরা পেয়েছি, ঘটনা যা ঘটেছিল তাই সেখানে দেখা গেছে। ঢাকা থেকে বিমানটি স্বাভাবিকভাবেই যায়। জাপান থেকে আসার সময় প্রকৌশলী আপত্তি জানিয়েছেন। আমরা ত্রুটি নিয়ে কনসার্ন, ভবিষ্যতে আরও নতুন বিমান আসছে।
লাগের হেন্ডেলিংয়ের বিষয়ে এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, যাত্রীদের রেসপন্স খুবই ভালো। লাগেজ ও ব্যাগের কোনো সমস্যা হচ্ছে না। ২০ মিনিটের মধ্যেই বেশিরভাগ যাত্রী লাগেজ পেয়ে যাচ্ছে।