এখন থেকে খুব সহজেই মাত্র কয়েকবার ট্যাপ করেই বিকাশ অ্যাপের মাধ্যমে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের কারণে হওয়া জরিমানার টাকা তাৎক্ষণিকভাবে পরিশোধ করা যাবে।

অ্যাপের পাশাপাশি সারা দেশে ছড়িয়ে থাকা বিকাশের সাড়ে তিন লাখেরও বেশি এজেন্ট পয়েন্ট থেকেও ট্রাফিক মামলার জরিমানার টাকা জমা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে। কমিউনিটি ব্যাংক এবং বিকাশের যৌথ উদ্যোগে এই নতুন সেবাটি চালু করা হয়েছে, যার ফলে বাংলাদেশ পুলিশের অধীনে থাকা সব ধরনের ট্রাফিক মামলার ফাইন এখন গ্রাহকেরা সহজেই পরিশোধ করতে পারছেন। বিকাশের পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়েছে।

রাস্তায় চলাচলের সময় ট্রাফিক আইন অমান্য করার ফলে মামলা হলে তা দ্রুত এবং তাৎক্ষণিকভাবে নিষ্পত্তির সুযোগ করে দিতেই প্রতিষ্ঠান দুটি এই বিশেষ সুবিধাটি চালু করেছে। ট্রাফিক জরিমানা স্লিপ পাওয়ার পর গ্রাহকেরা বিকাশ অ্যাপ ব্যবহার করে যেকোনো স্থান থেকে এবং যেকোনো সময়ে এই অর্থ পরিশোধ করতে পারবেন। পেমেন্ট সম্পন্ন করার পর ডিজিটাল রিসিটটি সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তার কাছে প্রদর্শন করলেই জব্দ করা নথিপত্র দ্রুত ছাড়িয়ে নেওয়া সম্ভব হবে।

দেশের যেকোনো প্রান্তে ট্রাফিক মামলার জরিমানা পরিশোধ করতে চাইলে গ্রাহককে প্রথমে বিকাশ অ্যাপের হোম স্ক্রিনে যেতে হবে। সেখান থেকে ‘পে বিল’ আইকনে ক্লিক করে ‘সরকারি ফি’ অপশনে যেতে হবে অথবা অ্যাপের ‘সার্চ’ বারে ‘ট্রাফিক ফাইন’ লিখে সার্চ করে এই সেবাটি নির্বাচন করতে হবে। এরপর ট্রাফিক মামলার স্লিপে উল্লিখিত নির্দিষ্ট কেস নম্বরটি ইনপুট দিলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্ক্রিনে জরিমানার টাকার পরিমাণ ভেসে উঠবে। সব তথ্য যাচাই করে গ্রাহক তাঁর পিন নম্বর দিয়ে লেনদেনটি নিশ্চিত করলেই তাৎক্ষণিকভাবে ফাইন পরিশোধ হয়ে যাবে।

পেমেন্ট প্রক্রিয়া সফলভাবে সম্পন্ন হলে গ্রাহকের মুঠোফোনে একটি এসএমএস এবং অ্যাপে নোটিফিকেশন পাঠানো হবে। উল্লেখ্য, এই সেবার ক্ষেত্রে নির্ধারিত ফি প্রযোজ্য হবে। এই ফিচার সম্পর্কে আরও বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে নির্দিষ্ট লিংকের মাধ্যমে।

যারা অ্যাপ ব্যবহার করেন না, তারা এজেন্ট পয়েন্টে গিয়েও এই সেবা নিতে পারবেন। সেক্ষেত্রে এজেন্টকে মামলার কেস আইডি এবং মোবাইল নম্বর প্রদান করতে হবে। ফাইন পরিশোধ হয়ে গেলে গ্রাহক সরাসরি এজেন্টের কাছ থেকেই ডিজিটাল রিসিট সংগ্রহ করতে পারবেন।