২০২৭ সালের হজ যাত্রার জন্য যারা প্রাথমিকভাবে নিবন্ধন করেছেন, তাদের আগামী ৭ ডিসেম্বরের মধ্যে প্যাকেজের অবশিষ্ট অর্থ পরিশোধ করে চূড়ান্ত নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার অনুরোধ জানিয়েছে হজ এজেন্সিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব)। একই সাথে, বাংলাদেশের জন্য ২০২৭ সালের হজে আরও ২০ হাজার হজযাত্রীর অতিরিক্ত কোটা বরাদ্দের দাবি তুলেছে এই সংগঠনটি।

সোমবার (২ নভেম্বর) রাজধানীর নয়া পল্টনের হোটেল ভিক্টোরিয়ায় এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সেখানে হাবের মহাসচিব ফরিদ আহমেদ মজুমদার এক লিখিত বক্তব্যের মাধ্যমে এসব দাবি উত্থাপন করেন। উক্ত অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন হাবের সভাপতি সৈয়দ গোলাম সারওয়ার।

মহাসচিবের লিখিত বক্তব্যে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয় যে, ২০২৭ সালের হজে যারা প্রাথমিক নিবন্ধন করেছেন, তাদের আগামী ৭ ডিসেম্বরের মধ্যে প্যাকেজের সম্পূর্ণ অর্থ জমা দিয়ে চূড়ান্ত নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে। যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অর্থ পরিশোধ করা না হয়, তবে তাদের প্রাথমিক নিবন্ধন বাতিল হয়ে যেতে পারে। এর ফলে তাদের হজ যাত্রাও অনিশ্চিত হয়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

সংগঠনটি আরও জানায়, ২০২৭ সালের হজের জন্য সৌদি সরকার বাংলাদেশকে মোট ৭৮ হাজার ৫০০ জনের কোটা বরাদ্দ করেছে। তবে এই নির্ধারিত কোটা পূর্ণ হয়ে যাওয়ার পরেও প্রায় ২০ হাজার হজযাত্রী এখনো অপেক্ষমাণ তালিকায় রয়েছেন। এই বিপুল সংখ্যক মানুষের হজ পালনের সুযোগ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সৌদি সরকারের কাছে অতিরিক্ত কোটা বরাদ্দের জন্য কূটনৈতিক তৎপরতা আরও জোরদার করার দাবি জানিয়েছে হাব।

পাশাপাশি, চলতি বছরের হজ কার্যক্রমের মেডিকেল ফির নামে আটকে থাকা প্রায় ৩০ লাখ সৌদি রিয়ালের কথা উল্লেখ করে হাব জানিয়েছে যে, সেই অর্থ ফেরত পাওয়া গেছে। এই অর্থ পুনরুদ্ধারে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের যে সহযোগিতা পাওয়া গেছে, তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে সংগঠনটি।