হাসি মানুষের জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। দৈনন্দিন জীবনের একঘেয়েমি দূর করতে কৌতুকের কোনো বিকল্প নেই। তেমনই কিছু বাছাই করা মজার ঘটনা ও কথোপকথন এখানে তুলে ধরা হলো।
প্রথম ঘটনাটি এক ডাক্তার ও তার রোগীর। ডাক্তার রোগীকে পরামর্শ দিয়ে বললেন, “আপনি খোসাসহ ফল খাবেন, আপনার সবচেয়ে প্রিয় ফলটাই খাবেন। আপনার প্রিয় ফল কী?”
রোগী অত্যন্ত সরলভাবে জবাব দিলেন, “নারকেল।”
অন্যদিকে, বর্তমান প্রজন্মের প্রেম ও প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে এক বাবা ও ছেলের কথোপকথন বেশ চমকপ্রদ। বাবা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন, “আমাদের সময়ে প্রেমপত্র লিখতে কত কষ্ট করতে হতো!”
ছেলে আত্মবিশ্বাসের সাথে উত্তর দিল, “এখন তো সব সহজ, বাবা।”
বাবা অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলেন, “কীভাবে?”
ছেলে বুঝিয়ে বলল, “এখন ভুল মানুষকে মেসেজ পাঠিয়ে দিলেই প্রেমের বদলে ব্রেকআপ হয়ে যায়!”
স্মৃতিশক্তি নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর খুনসুটিও বেশ মজার। স্ত্রী অভিযোগ করে বললেন, “তোমার স্মৃতিশক্তি দিন দিন কমছে!”
স্বামী জোর দিয়ে বললেন, “একদম না, আমার স্মৃতিশক্তি খুব ভালো।”
স্ত্রী পাল্টা প্রশ্ন করলেন, “তাহলে আজ আমাদের বিবাহবার্ষিকী ভুলে গেলে কেন?”
স্বামী অত্যন্ত কৌশলে উত্তর দিলেন, “আরে, আমি তো পুরোনো কোনো ঘটনা মনে রাখি না!”
চাকরির ইন্টারভিউ বোর্ডে এক প্রার্থীর উপস্থিত বুদ্ধি দেখে নিয়োগকর্তাও অবাক হতে পারেন। নিয়োগকর্তা জিজ্ঞেস করলেন, “আপনার সবচেয়ে বড় গুণ কী?”
চাকরিপ্রার্থী আত্মবিশ্বাসের সাথে বললেন, “আমি খুব দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে পারি।”
নিয়োগকর্তা তখন বললেন, “একটা উদাহরণ দিন।”
চাকরিপ্রার্থী উত্তর দিলেন, “ওই চাকরিটা আমার হবে না বুঝেই এই চাকরির ইন্টারভিউ দিতে চলে এসেছি!”
দুই বন্ধুর মধ্যে মোবাইলের গরম হওয়া নিয়ে এক অদ্ভুত আলোচনা। এক বন্ধু জিজ্ঞেস করল, “তোর মোবাইলটা এত গরম কেন?”
আরেক বন্ধু উত্তর দিল, “সারাক্ষণ চার্জে থাকে, তাই।”
প্রথম বন্ধু তখন ঠাট্টা করে বলল, “তুই নিজেও তো সারাক্ষণ কাজ করিস!”
আরেক বন্ধু পাল্টা জবাব দিল, “তাই বলে আমাকে চার্জে দিলে তো বিপদ!”
শ্রেণিকক্ষে শিক্ষক ও ছাত্রের কথোপকথনও ছিল বেশ হাস্যকর। শিক্ষক প্রশ্ন করলেন, “বলো তো, পৃথিবী গোল কেন?”
ছাত্র তার নিজস্ব যুক্তিতে উত্তর দিল, “স্যার, পৃথিবী যদি চৌকো হতো, তাহলে কোনায় কোনায় মানুষ আটকে যেত!”
ছাত্রের এমন উত্তর শুনে শিক্ষক বলে উঠলেন, “তোমার মাথাটাও দেখি বেশ গোল!”
সবশেষে, অলস ছেলের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে মায়ের সাথে কথোপকথন। মা বিরক্ত হয়ে বললেন, “সারা দিন শুয়ে থাকিস কেন? কিছু একটা কর!”
ছেলে শান্তভাবে বলল, “মা, আমি ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবছি।”
মা কৌতূহলী হয়ে জিজ্ঞেস করলেন, “কী ভাবছিস?”
ছেলে উত্তর দিল, “বিছানা থেকে না উঠেই কীভাবে সফল হওয়া যায়!”